শিরোনাম :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে শ্রেষ্ঠ মৎস্যচাষী পদক পেলেন উদ্যোক্তা মনির হোসেন কলমে সত্য, হৃদয়ে মানবিকতা—এটাই হোক সাংবাদিকতার অঙ্গীকার—প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের। ভিটিবিশাড়া হজরত খাজা জহিরুল ইসলাম রহঃ এর ০৩দিনব্যাপী ওরশ আগামী শুক্রবার থেকে। নবীনগরের চতরংখোলা’য় জমকালো আয়োজনে মিনি বার ফুটবল টুর্ণামেন্টে ফাইনাল অনুষ্ঠিত। জাতির জনক — শ্যামল বর্মন শিমুল মাদক,সন্ত্রাস ও যানযট মুক্ত করতে নবীনগরের প্রশাসন ও জনগণের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন — এমপি এডভোকেট আব্দুল মান্নান জনপ্রতিনিধি শূন্য ও জনবল সংকটে নবীনগর পৌরসভা ভোগান্তিতে জনগণ! নবীনগরে মাদকাসক্ত ও মাদক ব্যবসায়ীদের আতংকের নাম ওসি মোরশেদুল আলম চৌধুরী মেঘনার নদী ভাঙনের নবীনগর উপজেলার মানচিত্র থেকে বিলীনের পথে পশ্চিম ইউনিয়নের তিন গ্রাম! ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে বিলের দেশীয় মাছ বিলুপ্তের পথে
মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৫৭ পূর্বাহ্ন

পরকীয়ার জেরে ভায়রার হাতেই ভায়রা খুন

প্রতিনিধির নাম / ১০০১ বার
আপডেট : বুধবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২৪

 

স্ত্রীর পরকীয়ায় সহযোগিতা করায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে ভায়রা ভাইয়ের হাতেই খুন হয়েছেন ভ্যান চালক সাদ্দাম হোসেন (৩০) নামের এক যুবক। গত শুক্রবার (১৯ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের আশরাফপুর বিল থেকে সাদ্দামের মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত যুবক উপজেলার বিদ্যাকুট গ্রামের আব্দুল সাত্তার মিয়ার ছেলে।

পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) গ্রেফতারের পর সোমবার (২২ জানুয়ারি) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ২য় আদালতের বিচারক সামিউল আলমের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এই তথ্য জানান ভায়রা ভাই বাবুল (৪০)। বাবুল নেত্রকোনা জেলার খায়ের বাংলা গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে।

পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার শচীন চাকমা জানান, মরদেহ উদ্ধারের পর তদন্তে নামে পুলিশ। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় হত্যাকারী হিসেবে নিহত সাদ্দামের ভায়রা ভাই বাবুলকে সনাক্ত করে গ্রেফতার করা হয়। পরে সোমবার আদালতে হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে বাবুল। বাবুল জবানবন্দিতে জানায়, গত প্রায় ১০ বছর আগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের কৃষ্ণনগরের শায়েস্তা আরাকে বিয়ে করেন। তাদের সংসারে ৭ বছরের একটি মেয়ে রয়েছে। নরসিংদীতে কাজের সুবাদে বসবাস করা কাদির নামে এক ব্যক্তির সাথে তার স্ত্রীর পরকিয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। পরে তারা পালিয়ে নবীনগর এসে পড়ে। বিয়ে না করেও তারা সংসার করে, ফলে শায়েস্তারা গর্ববতীও হয়। আর এসবে সহায়তা করে আসছিল শায়েস্তা আরার বোনের স্বামী সাদ্দাম। সাদ্দাম সব কিছু জেনেও ভায়রা ভাই বাবুলকে কোন প্রকার সহায়তা করেননি। এই ক্ষোভে গত শুক্রবার সাদ্দামকে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করে বাবুল পালিয়ে যায়।

  1. এই ঘটনায় নিহত সাদ্দামের ভাই অজ্ঞাত আসামি করে নবীনগর থানায় মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় তদন্তে বাবুলের সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় তাকে গ্রেফতার করা হয়। সে আদালতে ১৬৪ ধারা জবানবন্দি দেওয়ার পর তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
Facebook Comments Box


এ জাতীয় আরো সংবাদ