শিরোনাম :
নবীনগরে কৃষক, মাঝি ও জেলেদের শত্রু কচুরিপানা ! নবীনগরের আহমদ পুরে চারশো বছর ধরে টিকে আছে শৈল্পিক কারুকাজ খচিত মসজিদ নবীনগরে বর্ষার সৌন্দর্য্য বিলুপ্তের পথে শৈশবের স্মৃতি বিবর্ণ হচ্ছে প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম! নবীনগরে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে শ্রেষ্ঠ মৎস্যচাষী পদক পেলেন উদ্যোক্তা মনির হোসেন কলমে সত্য, হৃদয়ে মানবিকতা—এটাই হোক সাংবাদিকতার অঙ্গীকার—প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের। ভিটিবিশাড়া হজরত খাজা জহিরুল ইসলাম রহঃ এর ০৩দিনব্যাপী ওরশ আগামী শুক্রবার থেকে। নবীনগরের চতরংখোলা’য় জমকালো আয়োজনে মিনি বার ফুটবল টুর্ণামেন্টে ফাইনাল অনুষ্ঠিত। জাতির জনক — শ্যামল বর্মন শিমুল
বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১:০৮ অপরাহ্ন

চরভদ্রাসনে পদ্মার ভাঙনে ৩০ মিটার জিওব্যাগের বাঁধ বিলীন

প্রতিনিধির নাম / ১৭৬ বার
আপডেট : শুক্রবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৫
Oplus_131072

ফরিদপুরে  পদ্মার ভাঙনে ৩০ মিটার জিওব্যাগের বাঁধ বিলীন

সদরপুর-চরভদ্রাসন (ফরিদপুর) প্রতিনিধি

ফরিদপুরের চরভদ্রাসন সদর ইউনিয়নের টিলারচর গ্রামে হঠাৎ করে পদ্মা নদীর ভাঙন দেখা দিয়েছে। বুধবার (২৯ অক্টোবর) সকালে শুরু হওয়া এ ভাঙনে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) জিওব্যাগ দিয়ে ডাম্পিং করা প্রায় ৩০ মিটার বাঁধ ও ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

ভাঙন এলাকাটি এমপিডাঙ্গী ও জাকেরেরশুরা হয়ে জেলা শহর ফরিদপুরে যাতায়াতের পাকা সড়ক থেকে মাত্র ৯০ মিটার দূরে। এ ছাড়া এলাকাটিতে শতাধিক বসতবাড়ি ও একটি সরকারি বিদ্যালয় রয়েছে।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে পদ্মা নদীর পানি হ্রাস পেলেও হঠাৎ ভাঙন দেখা দেওয়ায় আতঙ্কে রয়েছে নদীপাড়ের মানুষ।
সরেজমিনে দেখা যায়, নদীর তীর রক্ষার স্থায়ী বাঁধের পাশে আপদকালীন সময়ে জিওব্যাগ দিয়ে নির্মিত বাঁধের একটি বড় অংশ নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। পাশাপাশি কয়েকটি স্থানে মাটিতে ফাটলও দেখা দিয়েছে।

 

কিছুক্ষণ পরপর মাটির বড় বড় অংশ নদীতে তলিয়ে যাচ্ছে। তারা বলেন, দ্রুত ভাঙন রোধে ব্যবস্থা না নিলে ফসলি জমি, পাকা সড়ক ও শত শত বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।
ভাঙনের বিষয়ে চরভদ্রাসন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনিরা খাতুন বলেন, আমি একজন মুক্তিযোদ্ধার কাছ থেকে টিলারচর এলাকায় নদী ভাঙনের খবর পেয়েছি। স্থানটি পরিদর্শন করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে।

ফরিদপুর পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিব হোসেন বলেন, টিলারচর গ্রামের কয়েকটি পয়েন্টে বর্ষা মৌসুমে আপদকালীন ভাঙন রোধে জিওব্যাগ ফেলা হয়েছিল। ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি জানান, চরভদ্রাসন উপজেলার বিভিন্ন পয়েন্টে মোট ৩ দশমিক ১৫ কিলোমিটার এলাকায় স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের একটি প্রকল্প অনুমোদনের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

Facebook Comments Box


এ জাতীয় আরো সংবাদ