শিরোনাম :
নবীনগরে কৃষক, মাঝি ও জেলেদের শত্রু কচুরিপানা ! নবীনগরের আহমদ পুরে চারশো বছর ধরে টিকে আছে শৈল্পিক কারুকাজ খচিত মসজিদ নবীনগরে বর্ষার সৌন্দর্য্য বিলুপ্তের পথে শৈশবের স্মৃতি বিবর্ণ হচ্ছে প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম! নবীনগরে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে শ্রেষ্ঠ মৎস্যচাষী পদক পেলেন উদ্যোক্তা মনির হোসেন কলমে সত্য, হৃদয়ে মানবিকতা—এটাই হোক সাংবাদিকতার অঙ্গীকার—প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের। ভিটিবিশাড়া হজরত খাজা জহিরুল ইসলাম রহঃ এর ০৩দিনব্যাপী ওরশ আগামী শুক্রবার থেকে। নবীনগরের চতরংখোলা’য় জমকালো আয়োজনে মিনি বার ফুটবল টুর্ণামেন্টে ফাইনাল অনুষ্ঠিত। জাতির জনক — শ্যামল বর্মন শিমুল
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৫১ অপরাহ্ন

টেকনাফে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ১০ গ্রেনেড, ২৮ রাউন্ড গুলি ও ২ কেজি গাঁজা উদ্ধার

প্রতিনিধির নাম / ১০৬ বার
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬

টেকনাফে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ১০ গ্রেনেড, ২৮ রাউন্ড গুলি ও ২ কেজি গাঁজা উদ্ধার
জামাল উদ্দীন, কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি
কক্সবাজারের টেকনাফে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের এক বিশেষ অভিযানে মাটির নিচে লুকিয়ে রাখা ১০টি গ্রেনেড, ২৮ রাউন্ড তাজা গুলি এবং ২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) রাত ১০টার দিকে টেকনাফের জাদিমুড়া সংলগ্ন নাফ নদী এলাকায় কোস্ট গার্ড স্টেশন টেকনাফ এ অভিযান পরিচালনা করে।
কোস্ট গার্ড সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত ও নাফ নদী এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাদক, মানবপাচার এবং অস্ত্র চোরাচালান প্রতিরোধে বাহিনী সর্বদা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, একটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠী বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ বাংলাদেশের সীমানা ব্যবহার করে পরিবহনের উদ্দেশ্যে জাদিমুড়া এলাকার নাফ নদী সংলগ্ন স্থানে মাটির নিচে মজুত করে রেখেছে।
প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ডের একটি বিশেষ দল শনিবার রাতে অভিযান চালিয়ে মাটির নিচে বিশেষভাবে লুকিয়ে রাখা মিয়ানমার সামরিক বাহিনীতে ব্যবহৃত ২টি 36M Mk-I হ্যান্ড গ্রেনেড, ৮টি 40 mm HEDP গ্রেনেড এবং ২৮ রাউন্ড ৭.৬২ মি.মি. তাজা গুলি উদ্ধার করে। একই অভিযানে ২ কেজি গাঁজাও জব্দ করা হয়।
কোস্ট গার্ড জানায়, অভিযানের উপস্থিতি টের পেয়ে অস্ত্র ও মাদক পাচারকারীরা দ্রুত পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে জড়িত সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।
বাহিনীটির মতে, উদ্ধারকৃত বিস্ফোরকগুলো অসাধু ব্যক্তিদের হাতে পড়লে কিংবা অন্য কোনোভাবে বিস্ফোরিত হলে সাধারণ মানুষের জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারত। সময়োপযোগী এ অভিযানের মাধ্যমে সম্ভাব্য একটি বড় ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে।
জব্দকৃত গ্রেনেড, গুলি ও গাঁজার বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সীমান্ত এলাকায় সন্ত্রাসী ও চোরাচালান চক্রের তৎপরতা দমনে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে কোস্ট গার্ডের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

Facebook Comments Box


এ জাতীয় আরো সংবাদ