শিরোনাম :
নবীনগরে কৃষক, মাঝি ও জেলেদের শত্রু কচুরিপানা ! নবীনগরের আহমদ পুরে চারশো বছর ধরে টিকে আছে শৈল্পিক কারুকাজ খচিত মসজিদ নবীনগরে বর্ষার সৌন্দর্য্য বিলুপ্তের পথে শৈশবের স্মৃতি বিবর্ণ হচ্ছে প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম! নবীনগরে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে শ্রেষ্ঠ মৎস্যচাষী পদক পেলেন উদ্যোক্তা মনির হোসেন কলমে সত্য, হৃদয়ে মানবিকতা—এটাই হোক সাংবাদিকতার অঙ্গীকার—প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের। ভিটিবিশাড়া হজরত খাজা জহিরুল ইসলাম রহঃ এর ০৩দিনব্যাপী ওরশ আগামী শুক্রবার থেকে। নবীনগরের চতরংখোলা’য় জমকালো আয়োজনে মিনি বার ফুটবল টুর্ণামেন্টে ফাইনাল অনুষ্ঠিত। জাতির জনক — শ্যামল বর্মন শিমুল
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৫ অপরাহ্ন

সেনবাগে ভ্যাকুর আঘাতে বিধবা আলেয়ার ঘর ধসে পড়ার আশঙ্কা! অসহায় নারীর ন্যায়বিচার দাবি

প্রতিনিধির নাম / ৩১২ বার
আপডেট : শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২৫

সেনবাগে ভ্যাকুর আঘাতে বিধবা আলেয়ার ঘর ধসে পড়ার আশঙ্কা! অসহায় নারীর ন্যায়বিচার দাবি

প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের, ব্যুরো চীফ নোয়াখালী:

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার ৪নং কাদরা ইউনিয়নের চাঁদপুর গ্রামের এক অসহায় বিধবার বসতঘর ধসে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, স্থানীয় শালিস অমান্যকারী ব্যক্তি জাহিদুল ইসলাম ভ্যাকু মেশিন দিয়ে তার ঘরের সামনে প্রায় ৮ ফুট গভীর মাটি কেটে নিয়েছেন।

ভুক্তভোগী বিধবা আলেয়া বেগম (স্বামী মৃত মোঃ সাহাব উদ্দিন) বলেন, “আমার ঘরের সামনে মাটি কাটায় ঘর ধসে পড়ার ভয় তৈরি হয়েছে। আমি বাধা দিলে জাহিদুল ইসলাম ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে মারার জন্য ঝাঁপিয়ে আসে। পরে এলাকার গন্যমান্যরা নিষেধ করলেও সে শোনেনি, উল্টো আরও দ্রুত মাটি কাটতে থাকে।”
সেনবাগ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর গত ১০ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে লিখিত অভিযোগ দেই। এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিকার পাইনি।”

তিনি আরো বলেন, ভ্যাকু দ্বারা মাটি উত্তোলনের সময় বাঁধা দিলে, জাহিদুল আরো গভীর করে মাটি উত্তোলন শুরু করে। এতে স্হানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও শালিসদারদের নিকট জানালে,তাঁরা বলেন – আমরা জাহিদুলের শালিস করতে পারবোনা, আপনি এসি ল্যান্ডের নিকট জানান।

এ প্রতিবেদক সরেজমিনে অনুসন্ধানে দেখা যায় যে,, আলেয়া বেগমের বসতবাড়ির পাশে ভ্যাকু মেশিন দিয়ে ৮ ফুটেরও বেশি গভীর গর্ত তৈরি হয়েছে, যেকোনো মুহূর্তে ভূমিধসের ঝুঁকি তৈরি করেছে। আলেয়া বেগমের বসত ঘর- বিল্ডিং ধসে পড়বে। এলাকাবাসীর দাবি, প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ না হলে ঘরটি ভেঙে পড়তে পারে এবং বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।

স্থানীয় সচেতন মহল প্রশাসনের প্রতি দ্রুত তদন্ত করে অসহায় বিধবা নারীর নিরাপত্তা ও বসতঘর রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছে।

Facebook Comments Box


এ জাতীয় আরো সংবাদ