শিরোনাম :
স্বামী স্ত্রীর দ্বন্দ্বে ঘর বাড়ি ছাড়া বাড়ির মালিক শাশুড়ী ভালোবেসে বিয়ে করে নাহিদা স্বামীর ভিটা থেকে লাশ হয়ে ফিরলেন বাবার বাড়ী নৈশপ্রহরী ও পিয়ন যখন কলেজের হর্তাকর্তা ! দেড়শো বছরের ব্রাহ্মণবাড়ির নবীনগর আদালত পুকুর বিলুপ্তপ্রায়! আলমনগর ফজলুর রহমান মহুরী স্মৃতিবৃত্তি পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত আলমনগর ফজলুর রহমান মহুরী স্মৃতিবৃত্তি পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত নবীনগরে প্রবাসীদের উদ্যোগে’ ঈদ উপলক্ষে গরীব অসহায় এবং দুস্হ পরিবারের মাঝে মাংস বিতরণ। রতনপুর ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়নে নিজেকে উৎসর্গ করতে চাই -মোঃ ওবায়েদ উল্লাহ অবিদ নবীনগর নিউ মডেল প্রেস ক্লাবের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত জনপ্রিয়তার শীর্ষে বীরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন
রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:০৬ অপরাহ্ন

নবীনগরে গ্যাস সিলিন্ডারের দামের কারসাজিতে প্রতারিত হচ্ছে ভোক্তারা

প্রতিনিধির নাম / ২৩৫ বার
আপডেট : সোমবার, ৫ জানুয়ারী, ২০২৬
Oplus_131072

নবীনগরে গ্যাস সিলিন্ডারের দামের কারসাজি প্রতারিত হচ্ছে ভোক্তারা

মোঃখলিলুর রহমান খলিলঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে ভোক্তা পর্যায়ে বেসরকারি খাতের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দামের লাগামহীন বৃদ্ধিতে দিশেহারা ভোক্তারা। নবীনগরে সর্বমোট গ্যাসের চাহিদা ৬০ হাজার বোতল কিন্তু কোম্পানি গুলো প্রায়সময় কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বাজারকে অস্তিশীল করে। গত সপ্তাহে এলপি গ্যাসের ১২ কেজি ওজনের বোতলের মূল্য ছিলো ১৩শত টাকা এক সপ্তাহের ব্যবধানে মূল্য বৃদ্ধি পেয়ে দাড়িয়েছে ১৭ শত টাকা।নবীনগরে বসুন্ধরা, বিএম,ডেলটা, ইউনিক,জি,ওমেরা,পেট্রো মেক্স, পদ্মা, সান জিএমআই,ওরিয়ন সহ প্রায় ১৭টি গ্যাসের এজেন্ট রয়েছে।এজেন্ট বা ডিলাররা কোম্পানির ক্রয়কৃত দাম থেকে ৫০ থেকে ষাট টাকা লাভ করে খুচরা ব্যবসায়ীদের নিকট বিক্রি করে বলে দাবি করেন বসন্ধরা এজেন্ট নবীনগর সদর। খুচরা ব্যবসায়ীরা মূলত কোম্পানির পাইকারি মূল্যের চেয়ে আড়াইশো টাকা লাভ যোগ করে বিক্রি মূল্য নির্ধারণ করেন।এতো মুনাফা যোগ করার কারণে মূলত ভোক্তারা প্রতিনিয়ত প্রতারিত হচ্ছে ও জীবন যাত্রায় চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। নবীনগরে বসুন্ধরা কোম্পানির এজেন্ট আছে চারজন নবীনগর পৌর এলাকার নারায়ণপুরে এজেন্ট পরিচালনা করেন বাছির উদ্দিন, সলিমগঞ্জে এজেন্ট পরিচালনা করেন হানিফ মিয়া, কুড়িঘরে এজেন্ট পরিচালনা করেন মিজান মিয়া ও বড়াইল,কৃষ্ণনগর ও বীরগাঁও ইউনিয়ন পরিচালনা করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে। সরকারের পক্ষ থেকে গত ডিসেম্বরে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ২৫৩ টাকা। গত মাসে দাম ছিল ১ হাজার ২১৫ টাকা; অর্থাৎ ডিসেম্বরে ১২ কেজিতে দাম বেড়েছে ৩৮ টাকা। গত মাসে কমেছিল ২৬ টাকা।

গতমাসে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ দাম ঘোষণা করেন বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ। সন্ধ্যা ছয়টা থেকে নতুন দর কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।

সংস্থাটি প্রতি মাসেই এলপিজির দাম নির্ধারণ করে। তবে বাজারে নির্ধারিত দামে এলপিজি বিক্রি না হওয়ার অভিযোগ আছে। এলপিজির ১২ কেজি সিলিন্ডার সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় গৃহস্থালির কাজে।

বিইআরসির নতুন দর অনুযায়ী, বেসরকারি এলপিজির মূল্য সংযোজন করসহ (মূসক/ভ্যাট) দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি কেজি ১০৪ টাকা ৪১ পয়সা। গত মাসে তা ছিল ১০১ টাকা ২৪ পয়সা; অর্থাৎ এ মাসে দাম কেজিতে বেড়েছে ৩ টাকা ১৭ পয়সা। এই হিসাবে বিভিন্ন আকারের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারিত হবে। বাজারে বিভিন্ন আকারের এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া যায়।

সরকারি কোম্পানির সরবরাহ করা এলপিজির সাড়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৮২৫ টাকা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। অন্যদিকে গাড়িতে ব্যবহৃত এলপিজির (অটো গ্যাস) দাম প্রতি লিটার ৫৭ টাকা ৩২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত মাসে তা ছিল ৫৫ টাকা ৫৮ পয়সা।
২০২১ সালের এপ্রিল থেকে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে আসছে বিইআরসি। এলপিজি তৈরির মূল উপাদান প্রোপেন ও বিউটেন বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হয়।

প্রতি মাসে এলপিজির এই দুই উপাদানের মূল্য প্রকাশ করে সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠান আরামকো। এটি সৌদি কার্গো মূল্য (সিপি) নামে পরিচিত। এই সৌদি সিপিকে ভিত্তিমূল্য ধরে দেশে এলপিজির দাম সমন্বয় করে বিইআরসি। আমদানিকারক কোম্পানির চালান (ইনভয়েস) মূল্য থেকে গড় করে পুরো মাসের জন্য ডলারের দাম হিসাব করে বিইআরসি।

নবীনগর উপজেলা প্রশাসন মাঝে মাঝে অভিযান পরিচালনা করলেও যেই লাউ সেই কদু।
নবীনগরে কোম্পানির এজেন্টরা মূলত দামের ক্ষেত্রে কারসাজি করে প্রতারিত করছেন সাধারণ ভোক্তাদের।

Facebook Comments Box


এ জাতীয় আরো সংবাদ