ফুটপাত থেকে নতুন স্থায়ী বসত ভিটায় ফেরার স্বপ্ন পূরণ গোলাপির।
মোঃখলিলুর রহমান খলিলঃ ১৯৭৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত বাংলাচলচ্চিত্র গোলাপি এখন ট্রেনে চিত্রনায়িকা ববিতার অসাধারণ অভিনয়ে একজন নারীর জীবন সংগ্রামের নানান নাটকিয়তা ফুটে উঠেছিল।এবার দেশের প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসে বাস্তব জীবন সংগ্রামের এক অসহায় নারী গোলাপি বেগমের জীবন চিত্র।
সমাজের নিষ্ঠুর যুপ কাষ্টের বুলি গোলাপি বেগমের বোবা কান্না দেশের কোন ব্যক্তির নজরে না আসলেও নজরে এসেছে দেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের।
২০২৫ সালের জুলাই মাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহবাগ এলাকায় ফুটপাতে দীর্ঘ সময় ধরে বসবাস করা ছিন্নমূল ও অসহায় নারী গোলাপী বেগমকে নিয়ে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়। প্রচণ্ড অভাব, অসুস্থতা এবং জীবনের চরম অনিরাপত্তার মধ্যে দিনাতিপাত করা গোলাপীর এই দুর্দশা ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ নামক একটি মানবিক সংগঠনের মাধ্যমে বিএনপি চেয়ারপারসন ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নজরে আসে।
প্রধানমন্ত্রীর মানবিক নির্দেশ ও পুনর্বাসন
গোলাপী বেগমের মানবিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে, তারেক রহমান অবিলম্বে তাকে পুনর্বাসনের নির্দেশ দেন। এই নির্দেশের পর তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয় এবং স্থায়ী আবাসনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।
১৭ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে গোলাপী বেগমের জন্য একটি নতুন বাড়ি নির্মাণকাজের উদ্বোধন করা হয়। ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর পক্ষ থেকে এই বাড়িটি তাকে উপহার দেওয়া হয়েছে ।
দীর্ঘদিন শাহবাগের ফুটপাতে মাছের বাক্সে বা খোলা আকাশের নিচে বসবাস করা গোলাপী বেগম এখন নিজের একটি ঘর পাওয়ার অপেক্ষায় আছেন। এই উদ্যোগটি ফুটপাতে বসবাসকারী হাজারো অসহায় মানুষের জন্য একটি নতুন আশার আলো হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বিএনপির পক্ষ থেকে তার চিকিৎসার দীর্ঘ ৮ মাস পর নতুন বাড়ির ব্যবস্থা করা হয়েছে।
ঘরটি উদ্বোধন করতে ছুটে এলেন নরসিংদী রায়পুর আসন থেকে নির্বাচিত সাংসদ ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল ও নবীনগর থেকে নির্বাচিত সাংসদ এডভোকেট এমএ মান্নান।
উপস্থিত ছিলেন আমরা বিএনপির পরিবার সংগঠনের কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকসুদুল মোমিন মিঠুন, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ হোসেন রাজু,পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান,উপজেলা যুবদল নেতা মঞ্জুরুল ইসলাম মজনু, যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব কাউছার আহমেদ,ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি কাজী রাশেদুল হক সুমন প্রমুখ।