শিরোনাম :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে শ্রেষ্ঠ মৎস্যচাষী পদক পেলেন উদ্যোক্তা মনির হোসেন কলমে সত্য, হৃদয়ে মানবিকতা—এটাই হোক সাংবাদিকতার অঙ্গীকার—প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের। ভিটিবিশাড়া হজরত খাজা জহিরুল ইসলাম রহঃ এর ০৩দিনব্যাপী ওরশ আগামী শুক্রবার থেকে। নবীনগরের চতরংখোলা’য় জমকালো আয়োজনে মিনি বার ফুটবল টুর্ণামেন্টে ফাইনাল অনুষ্ঠিত। জাতির জনক — শ্যামল বর্মন শিমুল মাদক,সন্ত্রাস ও যানযট মুক্ত করতে নবীনগরের প্রশাসন ও জনগণের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন — এমপি এডভোকেট আব্দুল মান্নান জনপ্রতিনিধি শূন্য ও জনবল সংকটে নবীনগর পৌরসভা ভোগান্তিতে জনগণ! নবীনগরে মাদকাসক্ত ও মাদক ব্যবসায়ীদের আতংকের নাম ওসি মোরশেদুল আলম চৌধুরী মেঘনার নদী ভাঙনের নবীনগর উপজেলার মানচিত্র থেকে বিলীনের পথে পশ্চিম ইউনিয়নের তিন গ্রাম! ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে বিলের দেশীয় মাছ বিলুপ্তের পথে
শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ পূর্বাহ্ন

বোদায় নাবালিকা মেয়ের পাঁচ মাসের গর্ভের ভ্রুণ হত্যা করার চেষ্টা।

প্রতিনিধির নাম / ২৬৭ বার
আপডেট : সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬

বোদায় নাবালিকা মেয়ের পাঁচ মাসের গর্ভের ভ্রুণ হত্যা করার চেষ্টা।

মোঃ শাহজাহান কবির প্রধান
পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি।

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার সাকোয়া ইউনিয়নে এক ফার্মেসি বিক্রেতার গোপন কেবিনে নাবালিকা (১৫) মেয়ের পাঁচ মাসের গর্ভের অবৈধ গর্ভপাত করানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে সাংবাদিকরা ফার্মেসির ভেতরে অবৈধ নির্জন কক্ষ ও পেছনের গোপন দরজা দেখতে পান, যার মধ্য দিয়ে ওই নারীসহ ৪-৫ জন পালিয়ে যান বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, বোদা উপজেলার সাকোয়া ইউনিয়নের ফার্মেসি বিক্রেতা ডাবলু তার দোকানের ভেতরে গোপন কেবিনে ঠাকুরগাঁও জেলার গড়েয়া এলাকার এক নাবালিকা মেয়ের (১৫) পাঁচ মাসের গর্ভের ভ্রূণ হত্যার চেষ্টা করছেন। রোববার বিকেল সাড়ে তিনটায় সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে দোকানের শাটার বন্ধ পাওয়া যায় কিন্তু তালাবদ্ধ ছিল না। সাংবাদিকরা রোগী সেজে ডাবলুকে ফোন দিলে তিনি গোপন চেম্বার থেকে বেরিয়ে আসেন। একজন পরিচয় গোপন রেখে পেশার মাপে দেখতে বললে তিনি বলেন , “এখন পেশার মাপা যাবে না। অন্য কোনো দোকানে যান।” এরপর সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ সম্পর্কে বললে তিনি সম্পূর্ণ অস্বীকার করন। এবং ভেতরে কেউ নাই বলে দাবী করেন। এরপর সাংবাদিকরা দোকানের ভেতরে যেতে চাইলে তিনি বাঁধা দেন। প্রায় ১৯ মিনিট কথা বলার পর তিনি স্বীকার করেন, আছে একটা মেয়ে আছে। মেয়ের মা আছে, একজন নার্স আছে। ওই মেয়েটার পেটে বাচ্চা ছিলো। বিভিন্ন কারণে একটু সমস্যা হয়েছে। কেবিনের পেছনের গোপন দরজা দিয়ে সবাই পালিয়ে গেছে। দোকানের পেছনে কচুগাছ ভাঙা অবস্থায় দেখে ধারণা করা হচ্ছে, ৪-৫ জন সেদিয়ে নিচে নেমে পালিয়ে গেছেন। স্থানীয়দের ধারণা, দীর্ঘদিন ধরে এই গোপন কেবিন ও পালানোর পথ ব্যবহার করে অবৈধ গর্ভপাতের মতো কাজ চলে আসছে।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৩ ঘন্টা দোকানের ভেতর সেই কেবিনে ছিলেন ডাবলু এবং ওষুধের দোকানটি বন্ধ ছিলো। ডাবলু ৩০ হাজার টাকার চুক্তিতে কাজটি করেন বলেও জানা যায়। এবিষয়ে বোদা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. লুৎফুল কবির বলেন, “তার যদি ড্রাগ লাইসেন্স থাকে, তিনি ওষুধ বিক্রি করতে পারবেন, তিনি প্র্যাকটিশনও করতে পারবেন না। তার গোপন কেবিন ও পেছনের দরজা কেন আছে—সেটা দেখতে হবে। আপনারা ইউএনও স্যারকেও অবগত করুন।”বোদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রবিউল ইসলাম ঘটনার তথ্য সহ ডাবলুর স্বীকারোক্তি হোয়াটসঅ্যাপ পাঠাতে বলেন। সেইসাথে তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানান। স্থানীয় সূত্র জানায়, ডাবলুর এই কর্মকাণ্ডে কেউ কেউ আশ্রয়দাতা হিসেবে কাজ করছেন বলে সন্দেহ রয়েছে। নাবালিকা মেয়ের পাঁচ মাসের গর্ভের অবৈধ গর্ভপাতের ঘটনাটি মানবাধিকার লঙ্ঘনের পাশাপাশি আইনগত অপরাধ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্রুত তদন্ত ও জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে।

Facebook Comments Box


এ জাতীয় আরো সংবাদ