মোঃ খলিলুর রহমান খলিলঃ নবীনগর পশ্চিম ইউনিয়নের ফতেহপুর ওয়ালীশাহ মাজার থেকে পশ্চিম পাড়া ও কবরস্থানে যাওয়ার জন্য দশ বছর আগে সরকারি অর্থায়নে একটি মাটির রাস্তা নির্মাণ করা হয়।
মাটির রাস্তাটি মূলত জমির মাঝখান দিয়ে গিয়েছে। আধা কিলোমিটার দৈর্ঘ্যর রাস্তাটির বেশির ভাগ অংশে উভয় পক্ষে একই মালিকানার জমি। কিন্তু সত্তর ফুট দৈর্ঘ্যর একটি অংশে গিয়ে উভয় পাশে আলাদা ভাবে দুই জন মালিক। রাস্তার উত্তর পাশে নূরুল ইসলাম ভূইয়া ও দক্ষিণ পাশে বসু মিয়া।বসু মিয়া সাম্প্রতিক সময়ে রাস্তাটি সম্পূর্ণ অংশ তার জায়গা দিয়ে যাওয়ার দাবি করে পাচ ফুট রাস্তার জন্য রেখে বাকি অংশ বেড়া দিয়ে ফেলে।গতদশ বছর আগেএই রাস্তাটি প্রস্তে ১২ ফুট বসু মিয়ার ত্রিশ শতাংশ জায়গার উপর দিয়ে গিয়েছে।বসু মিয়া বলেন আমি রাস্তায় পাঁচ ফুট জায়গা ছাড় দিয়েছি অথচ উত্তর পাশের নূরুল ইসলাম ছাড় দেন নাই। বরং নূরুল ইসলাম তার ভরাট বাড়ীর অংশের রাস্তা দখলে রেখেছে ও নূরুল ইসলাম তার বাড়ীর পশ্চিম পাশে গর্ত করায় রাস্তাটি গর্তে ভেঙে পড়েছে।
এ বিষয়ে নূরুল ইসলামের ছেলে তানভীর বলেন জায়গা মাপার বিষয়ে বসু কাকা আমাদের অবগত করলেও আমরা জায়গা মাপার সময় ছিলাম না।
এ বিষয়ে বসু মিয়ার ছেলে ইমরান মিয়া বলেন আমরা চেয়ারম্যানকে এ বিষয়ে অবগত করলে তিনি নূরুল ইসলামের গর্ত সেচ দিয়ে মাটি কাটার ব্যবস্থা করেন তবে রহস্যজনক ভাবে আর মাটি কাটেন নাই,রাস্তাও প্রসস্থ করেন নাই।
এ বিষয়ে স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার সফর মিয়া বলেন নূরুল ইসলাম ভূইয়ার বাড়ীর গর্তের কারনে রাস্তাটি ভেঙে যাওয়ায় বর্তমানে গর্ত বরাবর রাস্তাটি বসু মিয়ার জায়গার উপর দিয়ে আছে, আবার নূরুল ইসলামের বসত বাড়ী বরাবর রাস্তাটির মাঝখানে উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে একটি সীমানা দেওয়া হয়েছে তিন বছর আগে,কিন্তু বসু মিয়া আমাদের অবগত না করে নির্দিষ্ট সীমানা পিলারের উত্তর পাশে তিন ফুট জায়গা নিজের দাবী করে রাস্তায় ভেড়া দিয়ে ফেলেন, এ বিষয়ে নূরুল ইসলাম প্রশাসন বরাবর আবেদন করেছেন তদন্তও হয়েছে আমি চাই প্রশাসন ও গ্রাম বাসির সহযোগিতায় বিষয়টির সমাধান হোক।
এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নূরুে আলম নূরাজ্জম বলেন গর্তটি ভরাট করে গ্রাম বাসীর সমন্বয়ে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করবো।