শিরোনাম :
নবীনগরে কৃষক, মাঝি ও জেলেদের শত্রু কচুরিপানা ! নবীনগরের আহমদ পুরে চারশো বছর ধরে টিকে আছে শৈল্পিক কারুকাজ খচিত মসজিদ নবীনগরে বর্ষার সৌন্দর্য্য বিলুপ্তের পথে শৈশবের স্মৃতি বিবর্ণ হচ্ছে প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম! নবীনগরে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে শ্রেষ্ঠ মৎস্যচাষী পদক পেলেন উদ্যোক্তা মনির হোসেন কলমে সত্য, হৃদয়ে মানবিকতা—এটাই হোক সাংবাদিকতার অঙ্গীকার—প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের। ভিটিবিশাড়া হজরত খাজা জহিরুল ইসলাম রহঃ এর ০৩দিনব্যাপী ওরশ আগামী শুক্রবার থেকে। নবীনগরের চতরংখোলা’য় জমকালো আয়োজনে মিনি বার ফুটবল টুর্ণামেন্টে ফাইনাল অনুষ্ঠিত। জাতির জনক — শ্যামল বর্মন শিমুল
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০১ অপরাহ্ন

গ্রীষ্মকালীন ছুটি কাজে আসে না কৃষক পরিবারের শিক্ষার্থীদের

প্রতিনিধির নাম / ৮৩৫ বার
আপডেট : সোমবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৫
Oplus_131072

গ্রীষ্মকালীন ছুটি কাজে আসে না কৃষক পরিবারের শিক্ষার্থীদের

মোঃখলিলুর রহমান খলিলঃ

গ্রীষ্মের দুপুরে

নদীর পাড়ে জলের কাছে
নিজের মুখ জলে ভাসে।
গাছের ছায়ায় শান্ত বাতাস,
পড়েই চলে দীর্ঘশ্বাস।
বৈশাখ -জৈষ্ঠ্য এ দুইমাস গ্রীষ্মকাল। বাংলা পঞ্জিকা বর্ষের প্রথম ঋতুর নাম হলো গ্রীষ্ম। ফলের ও ফসলের ঋতু গ্রীষ্ম, কৃষকের মুখে হাসি ফোটানোর ঋতু গ্রীষ্মকাল। বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ এদেশের প্রধান খাদ্যশস্য হল ধান। ভাত যেহেতু বাঙালির প্রধান খাদ্য বিশ কোটি জনসংখ্যার ভাতের চাহিদা পূরণ করতে বাংলাদেশের সর্বত্রই ধানের চাষ হয়ে থাকে। বিশেষ করে গ্রীষ্মকাল ধান পাকার সময় ও কাটার সময়, এ সময় বাংলার কৃষক কৃষানীরা ব্যস্থ থাকে ধান নেয়ার কাজে। ৯০ দশক পর্যন্ত বাংলাদেশের বেশিরভাগ পরিবার ছিল নিম্ন মধ্যম আয়ের সেই সময় থেকে অধ্যাবতী কৃষি পরিবারের শিক্ষার্থীরা স্কুল কলেজে পড়াশোনার পাশাপাশি বাপ দাদার কৃষি কাজেও সহযোগিতা করে, কিন্তু রহস্যজনকভাবে বাংলাদেশ শিক্ষা মন্ত্রণালয় কৃষি পরিবারের সন্তানদের কথা চিন্তা না করেই এই ছুটিটি প্রতিবছর পহেলা জুন রবিবার থেকে উনিশে জুন বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বাংলা ১৮ই জ্যৈষ্ঠ ১৪৩২ থেকে আষাঢ় মাসের ৫ তারিখ পর্যন্ত মোট ১৯ দিন গ্রীষ্মকালীন ছুটি ঘোষণা করে। অথচ এই ছুটিতে কৃষি পরিবারের কেউ কোথাও ভ্রমণ করতে যাওয়ার সুযোগ হইনা আবার এই কৃষি পরিবারের সন্তানেরা ধান কাটার মূলত সময় হলো বৈশাখ মাসের এক তারিখ থেকে জৈষ্ঠ্য মাসের ৩০তারিখ পর্যন্ত। অথচ আমাদের দেশে গ্রীষ্মকালীন ছুটিটি শুরু হয় ১৮ই জ্যৈষ্ঠ থেকে এই ছুটিতে কৃষি পরিবারের শিক্ষার্থীরা ধান কাটার কাজে সহযোগিতা করতে পারেনা যেহেতু তখন আর ধান থাকে না। গ্রীষ্মকালীন ছুটিটি যদি বৈশাখ মাসের ১০ থেকে বৈশাখ মাসের ৩০ তারিখ পর্যন্ত করা হয় তাহলে পরে শিক্ষার্থীরা পিতা-মাতার ধান কাটার কাজে সহযোগিতা করতে পারবে, এতে করে গ্রীষ্মকালীন ছুটিটি নিম্ন মধ্যম আয়ের শিক্ষার্থীদের ধান নেয়ার মাধ্যমে বিনোদনের যেমন ব্যবস্থা হবে দেশের অর্থনীতি এবং পরিবারের সচ্ছলতায় ভূমিকা রাখবে। এইজন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় শিক্ষার্থী এবং কৃষি পরিবারের সন্তানদের কথা বিবেচনা করে গ্রীষ্মকালীন ছুটি যেন বৈশাখ মাসের ভেতরে ঘোষণা করে। অথচ কাণ্ডজ্ঞানহীন ভাবে ছুটির নাম যদিও গ্রীষ্মকালীন ছুটি ১৮ই জ্যৈষ্ঠ থেকে ৫ আষাঢ় পর্যন্ত ঘোষণা করা অথচ ছুটি আষাঢ় মাস হলো বর্ষাকাল। তাহলে বর্ষাকালের ছুটিটি গ্রীষ্মকালে আসে কি করে এই প্রশ্ন সাধারন শিক্ষার্থীদের মাঝে। কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে কৃষি পরিবারের সন্তানদেরকে কৃষি কাজের সাথে পরিচিত করতে না পারলে একটা সময় কৃষিকাজ করতে অনাগ্রহ প্রকাশ করবে, তখন দেশ খাদ্য সংকটে পড়বে আমাদের দেশের যত মন্ত্রী আমলা আছে তাদের বেশিরভাগ কৃষি জমিতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে, অথচ গ্রীষ্মকালীন ছুটিটি যদি কৃষিকাজ বৈশাখের শুরুতে হয় তাহলে ইস্কুল পড়ুয়া ছেলেমেয়েরা কৃষি কাজ করতে যেমন সময় পাবে ঠিক তেমনি কৃষি কাজের প্রতি তাদের অভিজ্ঞতা ও আগ্রহ বৃদ্ধি পাবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় যেন এ বিষয়টি বিবেচনা করে গ্রামের শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের প্রত্যাশা পূরণে আগামী বছর থেকে বৈশাখ মাসের মধ্যে করার চিন্তা করে, এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ে অবগত করতে কল ও ইমেইল করা হয়েছে প্রতিবেদন লিখা পর্যন্ত কোন উত্তর আসেনাই।

Facebook Comments Box


এ জাতীয় আরো সংবাদ