শিরোনাম :
মাদক,সন্ত্রাস ও যানযট মুক্ত করতে নবীনগরের প্রশাসন ও জনগণের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন — এমপি এডভোকেট আব্দুল মান্নান জনপ্রতিনিধি শূন্য ও জনবল সংকটে নবীনগর পৌরসভা ভোগান্তিতে জনগণ! নবীনগরে মাদকাসক্ত ও মাদক ব্যবসায়ীদের আতংকের নাম ওসি মোরশেদুল আলম চৌধুরী মেঘনার নদী ভাঙনের নবীনগর উপজেলার মানচিত্র থেকে বিলীনের পথে পশ্চিম ইউনিয়নের তিন গ্রাম! ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে বিলের দেশীয় মাছ বিলুপ্তের পথে নবীনগরে কৃষক, মাঝি ও জেলেদের শত্রু কচুরিপানা ! রাণীশংকৈলে ভূমি জরিপকারক সমিতির সভাপতি ওয়াকেয়া, সম্পাদক মিলন নবীনগরে রতনপুর ইউনিয়নে অসহায় দুস্ত পরিবারের মাঝে এমপি এডভোকেট আঃ মান্নানের চাল বিতরণ। সমাজসেবায় গ্লোবাল স্টার অ্যাওয়ার্ড সম্মাননা পদক পেলেন, নবীনগরের ওবায়েদ উল্লাহ অবিদ। নবীনগরে এমপি আব্দুল মান্নানের পক্ষে দুঃস্থদের বিনামূল্যে চাল বিতরণ
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৪২ অপরাহ্ন

রাজধানীর বেইলি রোডে আগুনে এক পরিবারের ৫ জন সহ নিহত ৪৭ জন

প্রতিনিধির নাম / ১৪৮৬ বার
আপডেট : শুক্রবার, ১ মার্চ, ২০২৪

  1. রাজধানীর বেইলি রোডে একটি বহুতল ভবন কাচ্চি ভাই বিরানি রেস্টুরেন্টের  আগুনে অন্তত ৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর আহত হয়েছেন অন্তত ২২ জন,১২ জনের অবস্থা আশঙ্কা জনক। এ ঘটনায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    গতকাল বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টার দিকে ভবনটিতে আগুন লাগে। আগুন নেভানোর পর হতাহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়।

    রাত দুইটার দিকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন সাংবাদিকদের বলেন, এ ঘটনায় ৪৩ জন নিহত হয়েছেন। তাঁদের মরদেহ এই দুই হাসপাতালে আছে। এর বাইরে আরও মৃত ব্যক্তি থাকতে পারে।

    এ ঘটনায় গুরুতর আহত ৮ জন বার্ন ইনস্টিটিউটে এবং ১৪ জন ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন বলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান। তিনি বলেন, তাঁদের সবার অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

    এর আধা ঘণ্টা পর পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন ঢাকা মেডিকেলে গিয়ে সাংবাদিকদের জানান, রাজারবাগ পুলিশ লাইনস হাসপাতালেও একজনের মরদেহ রয়েছে। সব মিলিয়ে ৪৪ জনের মৃত্যুর খবর পেয়েছেন।শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

    গতকাল রাতে বেইলি রোডের যে ভবনে আগুন লেগেছে, সেটি সাততলা। ভবনের দ্বিতীয় তলায় ‘কাচ্চি ভাই’ নামের খাবারের দোকান রয়েছে। তৃতীয় তলায় একটি পোশাকের দোকান ছাড়া ওপরের তলাগুলোতেও রয়েছে খাবারের দোকান। প্রতিদিন সন্ধ্যার পর থেকে খাবারের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় হয়। অনেকেই পরিবার নিয়ে সেখানে খেতে যান।

    আগুন লাগার কারন অনুসন্ধান তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    ফায়ার সার্ভিসের কর্তারা বলছেন রেস্টুরেন্টের গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুনের সূত্র পাত।ভবনের সিড়িতে গ্যাস সিলিন্ডার থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। বাহির হওয়ার জুরুরি শিড়িও দৃশ্যমান না থাকায় মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।

    এ পর্যন্ত ৩৮ জনের লাশ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। দুই জনের অবস্থা এত খারাপ লাশ সনাক্ত করা যাবে না।

    রাজধানী বাসীর একটাই দাবী আর কত লাশ হলে সরকারের টনক নড়বে।

Facebook Comments Box


এ জাতীয় আরো সংবাদ