শিরোনাম :
নবীনগরে কৃষক, মাঝি ও জেলেদের শত্রু কচুরিপানা ! নবীনগরের আহমদ পুরে চারশো বছর ধরে টিকে আছে শৈল্পিক কারুকাজ খচিত মসজিদ নবীনগরে বর্ষার সৌন্দর্য্য বিলুপ্তের পথে শৈশবের স্মৃতি বিবর্ণ হচ্ছে প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম! নবীনগরে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে শ্রেষ্ঠ মৎস্যচাষী পদক পেলেন উদ্যোক্তা মনির হোসেন কলমে সত্য, হৃদয়ে মানবিকতা—এটাই হোক সাংবাদিকতার অঙ্গীকার—প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের। ভিটিবিশাড়া হজরত খাজা জহিরুল ইসলাম রহঃ এর ০৩দিনব্যাপী ওরশ আগামী শুক্রবার থেকে। নবীনগরের চতরংখোলা’য় জমকালো আয়োজনে মিনি বার ফুটবল টুর্ণামেন্টে ফাইনাল অনুষ্ঠিত। জাতির জনক — শ্যামল বর্মন শিমুল
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৩৫ অপরাহ্ন

হাতে চেক জায়গায় মালিকদের, মুখে হাসি নবীনগরের জনগণের

প্রতিনিধির নাম / ১৩৩৩ বার
আপডেট : সোমবার, ২৯ মে, ২০২৩

জনতা নিউজ ডেস্ক,  নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর থেকে জেলা সদরে সরাসরি যোগাযোগের জন্য সাবেক সংসদ সদস্য ফয়জুর রহমান বাদল এর সময়ে গোপিনাথপুর টু সিতারামপুর সিমান্তে তিতাস নদীর উপর ব্রীজ নির্মাণের প্রকল্প শুরু হয়।দীর্ঘ পাচ বছরে কাজ শেষ হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় ব্রীজের সুবিধা ভোগ করতে পারে নাই নবীনগর উপজেলা বাসী।অবশেষে স্থানীয় সংসদ সদস্য এবাদুল করিম বুলবুল এর হস্তক্ষেপে আলোড় মুখ দেখছে বহু কাঙ্ক্ষিত সীতারাম পুর ব্রীজের যোগাযোগ ব্যবস্থা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগরের সীতারামপুর নতুন ব্রিজ সংলগ্ন সড়কের ভূমি অধিগ্রহণকৃত ১২টি চেকের মাধ্যমে, ভূমি মালিকের হাতে ক্ষতিপূরণের ১ কোটি ৭২ লাখ ৪৮ হাজার নয়শত ৬৬ টাকা হস্তান্তর করা হয়েছে।

এদিকে ভূমি মালিকগণ টাকা না পেলে জমি ছাড়বেন না এই মর্মে দীর্ঘদিন ধরে সড়কের কাজ বন্ধ ছিল। স্থানীয় এমপি এবাদুল করিম বুলবুলের সার্বিক প্রচেষ্টায় কোনো রকম হয়রানি ছাড়াই  শুক্রবার (২৬ মে) দুপুরে উপজেলার সিতারামপুরে নিজ হাতে ক্ষতিগ্রস্ত ভূমি মালিকদের কাছে চেক বিতরণ করেন এবং আজ থেকে আবার বন্ধ থাকা কাজের শুভ সূচনা করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ এবাদুল করিম বুলবুল বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনামলেই দুর্নীতিমুক্ত, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতামূলক সরকার ব্যবস্থার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী দ্রুত অধিগ্রহণের টাকা ক্ষতিগ্রস্ত ভূমি মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে।

সভাপতির বক্তব্যে নবীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা একরামুল সিদ্দিক বলেন, এই চেক বিতরণে কোনো প্রকারের দুর্নীতি ও হয়রানির শিকার কোনো ভূমি মালিককে হতে হয়নি।এই ক্ষতিপূরণ পাওয়ার জন্য কেউ কোনো টাকা দাবি করে থাকলে তা সরাসরি অবহিত করার জন্য আহ্বান জানান তিনি।

নবীনগর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান বলেন, কোনো দালাল বা তৃতীয়পক্ষ না ধরে ভূমি অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি জমির প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এলএ শাখায় যোগাযোগ করলে অতি সহজে স্বল্প সময়ের মধ্যে ক্ষতিপূরণ পাবেন।

চেক হস্তান্তর সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নবীনগর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (ভূমি) মাহমুদা জাহান,  উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জাকির হোসেন সাদেক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদ সদস্য মোঃ নাসির উদ্দিন প্রমূখ।

অধিগ্রহণকৃত ভূমি মালিকরা হচ্ছেন, মোহাম্মদ ইয়াকুব আলী, ইয়াসিন মিয়া, জয়নালউদ্দিন, হাসান মিয়া, মকবুল হোসেন, আক্কাস আলী, মোজাম্মেল মিয়া, মাইনুদ্দিন, ওসমান গনি, আব্দুল মোতালিব, রিপন মিয়া, রাবিয়া খাতুন।

এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে  নবীনগর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু মোছা বলেন, সীতারাম পুর ব্রীজ জেলা সদরের সাথে যোগাযোগ মাধ্যমে বৈপ্লবিক পরিবর্তন করবে ও জীবন যাত্রার মান উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে, আমি এই উন্নয়ন প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট সকল কে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

Facebook Comments Box


এ জাতীয় আরো সংবাদ