শিরোনাম :
ফুটপাত থেকে নতুন স্থায়ী বসত ভিটায় ফেরার স্বপ্ন পূরণ গোলাপির। স্বামী স্ত্রীর দ্বন্দ্বে ঘর বাড়ি ছাড়া বাড়ির মালিক শাশুড়ী ভালোবেসে বিয়ে করে নাহিদা স্বামীর ভিটা থেকে লাশ হয়ে ফিরলেন বাবার বাড়ী নৈশপ্রহরী ও পিয়ন যখন কলেজের হর্তাকর্তা ! দেড়শো বছরের ব্রাহ্মণবাড়ির নবীনগর আদালত পুকুর বিলুপ্তপ্রায়! আলমনগর ফজলুর রহমান মহুরী স্মৃতিবৃত্তি পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত আলমনগর ফজলুর রহমান মহুরী স্মৃতিবৃত্তি পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত নবীনগরে প্রবাসীদের উদ্যোগে’ ঈদ উপলক্ষে গরীব অসহায় এবং দুস্হ পরিবারের মাঝে মাংস বিতরণ। রতনপুর ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়নে নিজেকে উৎসর্গ করতে চাই -মোঃ ওবায়েদ উল্লাহ অবিদ নবীনগর নিউ মডেল প্রেস ক্লাবের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৫৪ অপরাহ্ন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় বিয়ের সাতদিন পর স্ত্রীর হাতে স্বামী খুন

প্রতিনিধির নাম / ৬০৭ বার
আপডেট : রবিবার, ১৮ মে, ২০২৫
Oplus_131072

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় স্ত্রীর হাতে হত্যার শিকার হলেন স্বামী মেহেদী হাসান (২৭)। গতকাল শুক্রবার (১৬ মে) দিনগত মধ্যরাতে আখাউড়া পৌরশহরের মসজিদ পাড়ায় এ হত্যার ঘটনা ঘটে। নিহত মেহেদী হাসান মৃত জলফু মিয়ার ছেলে। তিনি পৌরশহরের মসজিদ পাড়ায় বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসমাইল হোসেনের বাড়ির ভাড়াটিয়া।

এ ঘটনায় পুলিশ স্ত্রী জান্নাত আক্তার (২০)কে আটক করেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বামীকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে জান্নাত আক্তার। মেহেদি হাসানের পৈত্রিক বাড়ি কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায়। তিনি প্রায় ২০ বছর ধরে মাকে নিয়ে মসজিদপাড়ায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।

নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৯ মে পারিবারিকভাবে মেহেদি হাসানের সঙ্গে মসজিদ পাড়ার আল আমিনের মেয়ে জান্নাত আক্তারের বিয়ে হয়। শুক্রবার রাত ১০টার দিকে মেহেদী হাসান রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পরে। ভোর রাতে নিহতের স্ত্রী বাড়ির মালিককে ডেকে বলে তার স্বামী অসুস্থ। বাড়ির মালিক ও স্থানীয় লোকজন গিয়ে দেখে মেহেদী হাসান ঘরের মেঝেতে অচেতন অবস্থায় পরে আছে। তাকে উদ্ধার করে আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত্যু ঘোষণা করে।

স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, জান্নাত আক্তারের বিয়ের আগ থেকেই অন্য এক ছেলের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বিয়ের পরও সেই সম্পর্ক অব্যাহত ছিল। সে তার স্বামীকে মেনে নিতে পারছিল না। প্রেমের সম্পর্কের কারণেই স্বামীকে হত্যা করতে পারে বলে অভিযোগ করছে নিহতের পরিবার।

নিহতের বড় ভাই আবুল কালাম বলেন, আমার ছোট ভাই একটি ওষুধের দোকানে চাকরি করতো। তিনি খুব শান্ত স্বভাবের ছিল। তার স্ত্রী ৬টি ঘুমের টেবলেট খাইয়ে অচেতন করে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে। শুনেছি তার অন্য ছেলের সাথে প্রেম আছে।

এ বিষয়ে আখাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ ছমিউদ্দিন বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জান্নাত আক্তার তার স্বামীকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে। আরও জানতে পেরেছি, বিয়ের আগে এক ছেলের সঙ্গে জান্নাত আক্তারের প্রেম ছিল। গত রাতে স্বামীকে বলে তার ঘুম আসছে না বলে তাকে দিয়ে ঘুমের টেবলেট আনায়। পরে কোকের সঙ্গে ৬টি ঘুমের টেবলেট খাইয়ে অচেতন করে। পরে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে স্বামীকে হত্যা করে। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

Facebook Comments Box


এ জাতীয় আরো সংবাদ