শিরোনাম :
কাইতলায় আল্লামা সাঈদী (রহ.)-এর স্মরণে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল নদীর বুকে, বন্ধুদের সাথে—গাজীপুর এক্সপ্রেসের নৌকা ভ্রমণে ০৫০৭ ব্যাচের মিলনমেলা নবীনগরে কৃষক, মাঝি ও জেলেদের শত্রু কচুরিপানা ! নবীনগরের আহমদ পুরে চারশো বছর ধরে টিকে আছে শৈল্পিক কারুকাজ খচিত মসজিদ নবীনগরে বর্ষার সৌন্দর্য্য বিলুপ্তের পথে শৈশবের স্মৃতি বিবর্ণ হচ্ছে প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম! নবীনগরে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে শ্রেষ্ঠ মৎস্যচাষী পদক পেলেন উদ্যোক্তা মনির হোসেন কলমে সত্য, হৃদয়ে মানবিকতা—এটাই হোক সাংবাদিকতার অঙ্গীকার—প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের। ভিটিবিশাড়া হজরত খাজা জহিরুল ইসলাম রহঃ এর ০৩দিনব্যাপী ওরশ আগামী শুক্রবার থেকে।
সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৬ পূর্বাহ্ন

ভোটার স্বাক্ষর জটিলতায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৩ স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল

প্রতিনিধির নাম / ৪৬৯ বার
আপডেট : মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২৬

  1. ভোটার স্বাক্ষর জটিলতায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৩ স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল
    স্টাফ রিপোর্টস মো রোমন হায়দার (বাঞ্ছারামপুর)

ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ৩ জানুয়ারি, ২০২৬
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছয়টি সংসদীয় আসনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। দুই দিনব্যাপী এ যাচাই-বাছাই শেষে জেলার বিভিন্ন আসনে মোট ১৩ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়। বাতিলের প্রধান কারণ হিসেবে উঠে এসেছে ভোটারদের স্বাক্ষর ও তথ্যগত জটিলতা।
জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে শনিবার (৩ জানুয়ারি) বিকেলে দ্বিতীয় দিনের যাচাই-বাছাই শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ তথ্য জানানো হয়। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট সংসদীয় আসনের প্রার্থীদের দাখিলকৃত নথিপত্র যাচাই করা হয়।
দ্বিতীয় দিনে মূলত ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া), ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনের মোট ৩৬ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র পরীক্ষা করা হয়। যাচাই শেষে এসব আসনে ৭ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বাতিল হওয়া প্রার্থীদের ক্ষেত্রে নির্বাচন বিধিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরের তালিকায় অসঙ্গতি পাওয়া গেছে। অনেক ক্ষেত্রে ভোটারদের নাম, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ও ঠিকানার সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের ডাটাবেজের মিল পাওয়া যায়নি। এছাড়া কয়েকজন প্রার্থীর বিরুদ্ধে ঋণখেলাপি সংক্রান্ত জটিলতাও ধরা পড়ে।
এর আগে শুক্রবার (২ জানুয়ারি) প্রথম দিনের যাচাই-বাছাইয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১, ২ ও ৩ আসনে ৬ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছিল। সব মিলিয়ে দুই দিনে জেলায় মোট ১৩ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন অবৈধ ঘোষিত হলো।
তবে স্বস্তির খবর হলো—আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টিসহ প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মনোনীত প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র প্রায় সবাই বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল–আশুগঞ্জ) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়।
এ বিষয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা শারমিন আক্তার জাহান সাংবাদিকদের জানান,
“যাদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে বাতিল হয়েছে, তারা চাইলে আগামী ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন। আপিল শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে।”
মনোনয়ন বৈধ ঘোষণার খবরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও আশপাশের এলাকায় প্রার্থীদের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যায়। যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

Facebook Comments Box


এ জাতীয় আরো সংবাদ