শিরোনাম :
বেতন সমতাকরণ ও বিদ্যালয় মেরামতের অর্থ নিয়ে প্রশ্ন, সেনবাগে শিক্ষক সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে অভিযোগ মাদকবিরোধী অভিযানে নোয়াখালীতে দুজনের জেল-জরিমানা পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে প্রস্তুতির ওপর গুরুত্বারোপ উত্তর গুজরা সবুজ সংঘের উদ্যোগে মাতৃসম্মেলন সেমিনার অনুষ্ঠিত গাজীপুরে সাংবাদিক ফাতেমা আক্তারের ওপর হামলা, গ্রেপ্তারের দাবি চট্টগ্রামে জিয়া মঞ্চের ৩৩ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ হয়েছে দাবী করে প্রতিবাদ কক্সবাজারে প্রাইভেটকারের নিচে ৮৯ হাজার ইয়াবা, আটক ১ নবীনগর–বাঞ্ছারামপুর সড়কের উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন আজকের বসুন্ধরার ২১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও প্রতিনিধি সম্মেলন
বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৯ অপরাহ্ন

খুলনায় চাঞ্চল্যকর ত্রিপল মার্ডারের রহস্য উদঘাটন

প্রতিনিধির নাম / ২১২ বার
আপডেট : শনিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৫

খুলনায় চাঞ্চল্যকর ত্রিপল মার্ডারের রহস্য উদঘাটন

নাজিম সরদার নিজস্ব প্রতিনিধি:
গত ১৬ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে লবণচরা থানা এলাকায় একটি নৃশংস হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। এতে একই পরিবারের তিনজন হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়। এদের মধ্যে দুইজন শিশু ১) ফাতিহা (৭) ও ২) মুস্তাকিম (৮) এবং একজন নারী ৩) মহিতুন্নেছা (৫৩) যিনি সম্পর্কে ঐ শিশুদের নানি হন। ঘটনার প্রেক্ষিতে ১৮ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে লবণচরা থানায় একটি হত্যা মামলা রুজু হয়।

মামলার বাদী সেফার আহম্মেদ ও গ্রেফতারকৃত আসামী শেখ শামীম আহম্মেদ সম্পর্কে মামাতো ফুফাতো ভাই। দীর্ঘদিন তাদের মধ্যে জমি-জমা নিয়ে বিরোধ ও মামলা চলছিল। হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী মোঃ শেখ শামীম আহম্মেদ অস্ত্র মামলায় জেলে থাকাকালে একটি সন্ত্রাসী গ্রুপের সদস্যের সাথে সখ্যতা গড়ে ওঠে। জেলখানা থেকে বের হয়ে তিনি জেলখানায় পরিচিত সন্ত্রাসীদের বড় অঙ্কের টাকার বিনিময়ে ভাড়া করে পতিপক্ষ সেফার আহম্মেদের পরিবারকে নিশ্চিহ্ন করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পনা করেন। সেই মতে মোঃ শেখ শামীম আহম্মেদ সন্ত্রাসীদের সাথে নিয়ে ১৬ নভেম্বর সেফার আহম্মেদের বাড়িতে প্রবেশ করে এই হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত করে।

ঘটনার পর থেকে আসামী মোঃ শেখ শামীম আহম্মেদ পলাতক থাকে। গ্রেফতার এড়াতে তিনি বিদেশে পলায়নের চেষ্টা করেন। এই পরিপ্রেক্ষিতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ঢাকা থেকে মোঃ শামীম শেখ@শেখ শামীম আহম্মেদকে গ্রেফতার করা হয়। মোঃ শেখ শামীম আহম্মেদের পরিচয়: তার বাবার নাম রুস্তম আলী, সাং-হোল্ডিং নং-৮০৭, দেয়াড়া, থানা-রূপসা, জেলা-খুলনা। তার নামে ইতোপূর্বে অস্ত্র আইনের একটি মামলা হয়েছে।

এই নৃশংস হত্যাযজ্ঞের মূল হোতা মোঃ শেখ শামীম আহম্মেদ বিজ্ঞ আদালতে ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করেছে।

ঘটনার পারস্পরিক যোগসাজশে ইতোপূর্বে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত আসামী ১) তরিকুল ইসলাম তারেক (২৬), পিতা-মোঃ আজহারুল ইসলাম আরজু, সাং-মোল্লাপাড়া (আর্জুর কালভার্ট)), থানা-লবণচরা এবং ২) তাফসির হাওলাদার (২০), পিতা-মোঃ বাবুল হাওলাদার, সাং-জিন্নাহপাড়া, থানা-লবণচরা, খুলনাদ্বয়কে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীদের মধ্যে তরিকুল ইসলাম তারেক এর বিরুদ্ধে ১টি মাদক মামলা এবং তাফসির হাওলাদার এর বিরুদ্ধে চুরি ও ছিনতাইয়ের ২টি মামলা রয়েছে। এই ঘটনায় জড়িত অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে অভিযান অব্যাহত আছে।

সংবাদ সম্মেলন করেন কেএমপি’র অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (এ্যাডমিন এন্ড ফিন্যান্স) আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ। এসময় কেএমপি’র সহকারী পুলিশ কমিশনার (খুলনা জোন) মোঃ শিহাব করিম; সহকারী পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) ত.ম রোকনুজ্জামান, সহকারী পুলিশ কমিশনার (স্টাফ অফিসার টু পিসি) মোঃ গোলাম মোর্শেদ, লবণচরা থানার অফিসার ইনচার্জ হাওলাদার সানওয়ার হুসাইন মাসুম-সহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Facebook Comments Box


এ জাতীয় আরো সংবাদ