শিরোনাম :
স্বামী স্ত্রীর দ্বন্দ্বে ঘর বাড়ি ছাড়া বাড়ির মালিক শাশুড়ী ভালোবেসে বিয়ে করে নাহিদা স্বামীর ভিটা থেকে লাশ হয়ে ফিরলেন বাবার বাড়ী নৈশপ্রহরী ও পিয়ন যখন কলেজের হর্তাকর্তা ! দেড়শো বছরের ব্রাহ্মণবাড়ির নবীনগর আদালত পুকুর বিলুপ্তপ্রায়! আলমনগর ফজলুর রহমান মহুরী স্মৃতিবৃত্তি পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত আলমনগর ফজলুর রহমান মহুরী স্মৃতিবৃত্তি পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত নবীনগরে প্রবাসীদের উদ্যোগে’ ঈদ উপলক্ষে গরীব অসহায় এবং দুস্হ পরিবারের মাঝে মাংস বিতরণ। রতনপুর ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়নে নিজেকে উৎসর্গ করতে চাই -মোঃ ওবায়েদ উল্লাহ অবিদ নবীনগর নিউ মডেল প্রেস ক্লাবের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত জনপ্রিয়তার শীর্ষে বীরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২৭ অপরাহ্ন

মহিলা কলেজ মার্কেটে জোরপূর্বক উচ্ছেদ অভিযানের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল

প্রতিনিধির নাম / ৩১৩ বার
আপডেট : শনিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৫

মহিলা কলেজ মার্কেটে জোরপূর্বক উচ্ছেদ অভিযানের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল
মো রোমন হায়দার (বাঞ্ছারামপুর) ব্রাহ্মনবাড়িয়া।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি মহিলা কলেজ মার্কেটের চুক্তিনামা অনুযায়ী বৈধ দোকানঘর জোরপূর্বক উচ্ছেদ অভিযানের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে ওষুধ ব্যবসায়ীরা। শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রেসক্লাবের সামনে তারা এই কর্মসূচী পালন করেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সর্বস্তরের ওষুধ ব্যবসায়ীবৃন্দদের আয়োজিত এই মানববন্ধনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতির নেতাকর্মীরাসহ জেলার সকল ওষুধ ব্যবসায়ীরা অংশ নেন। কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতির সভাপতি মাওলানা কুতুব উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং ব্যবসায়ী নূর আলমের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন ব্যবসায়ী খোকন খান, সংগঠনেরর জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মো. সানাউল হক ভূইয়া ও সহসভাপতি এইচ এম মুরাদ প্রমুখ। মানববন্ধন শেষে ব্যবসায়ীরা হাসপাতাল সড়কে একটি বিক্ষোভ মিছিল করেন।
বক্তারা বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি মহিলা কলেজ মার্কেটের দোকানগুলো বৈধ। মার্কেটের চুক্তিনামা মূলে দোকানগুলো বৈধ। ১৯৮৪ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি মহিলা কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দোকানগুলোর বিষয়ে পৃথক পৃথক চুক্তি হয়। প্রত্যেক দোকানের বিপরীতে তৎকালীন সময়ে ২৮ হাজার টাকায় চুক্তি হয়। আমরা দীর্ঘ প্রায় ৪২ বছর ধরে এখানে ওষুধের ব্যবসা করে আসছি। এই ব্যবসার মাধ্যমেই আমাদের সন্তানদের পড়াশোনা ও পরিবারের ভরণপোষণ চলে। আমরা নিয়মিত দোকানে ভাড়া পরিশােধ করে আসছি। কিন্তু গত দুই মাস ধরে কলেজ কর্তৃপক্ষ আমাদের ভাড়া নেয়া বন্ধ করে দেয়। আমরা তখন বিষয়টি বুঝতে পারিনি। কারণ কলেজ কর্তৃপক্ষ প্রায় দুই মাস পরপর দোকানে ভাড়া নেয়। কিন্তু এবার ভাড়া বন্ধ করে দিয়ে হঠাৎ দোকান উচ্ছেদ হতে বলেছে। আমাদের চুক্তি অনুযায়ী অন্তত ছয় মাস পূর্বে আমাদের নোটিশ দিতে হবে। কিন্তু তারা সেটি না করেই আমাদের হঠাৎ উচ্ছেদের কথা বলছে। কলেজ কর্তৃপক্ষ বিনা নোটিশে বৈধ দোকানঘর উচ্ছেদ করে সাধারণ ব্যবসায়ীদের জীবিকার পথ বন্ধ করেছে। যা অমানবিক ও অবৈধ। বক্তারা অবিলম্বে উচ্ছেদ অভিযান বন্ধ ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের ন্যায়সঙ্গত সমাধানের দাবি জানান।

Facebook Comments Box


এ জাতীয় আরো সংবাদ