শিক্ষক সমাজের বঞ্চনা : কবে জাগবে নীতি নির্ধারকদের বিবেক?- জাকির হোসেন
স্বাক্ষাতকার নিয়েছেন আনিছ মুন্সীঃ
কথায় আছে, “শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড”। আর সেই শিক্ষার মূল চালিকাশক্তি হলেন শিক্ষক। অথচ, দুঃখজনক হলেও সত্য, দেশের এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা আজও তাঁদের ন্যায্য প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
শিক্ষকদের বেতন ভাতা নিয়মিত পাওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে তা চাতক পাখির মতো অপেক্ষার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। মৌলিক চাহিদা পূরণের জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ভাতা, উৎসব ভাতা, বাড়ি ভাড়া, শিক্ষা ভাতা কিংবা শ্রান্তি-বিনোদন ভাতা প্রদানে নীতি নির্ধারকদের অনীহা ও গড়িমসি স্পষ্ট। প্রশ্ন উঠছে—যে দেশে শিক্ষকদের প্রাপ্য সম্মান ও অধিকার নিশ্চিত হয় না, সে দেশ উন্নতির স্বপ্ন দেখবে কীভাবে?
দুঃখ ভরা মন নিয়ে জনাব জাকির স্যার বলেন,সরকারের ঘোষণায় বলা হয়েছিল, ইএফটি (EFT) সিস্টেম চালুর ফলে প্রতিমাসের ১–২ তারিখেই শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন ভাতা প্রদান করা হবে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, আট মাস অতিক্রম হলেও এ পর্যন্ত সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন হয়নি।
এমনকি শিক্ষক-কর্মচারীরা অবসরে যাওয়ার পরও বছরের পর বছর তাঁদের অবসর সুবিধা ও কল্যাণ ফান্ডের টাকা পেতে হয় না। অনেক ক্ষেত্রে তিন বছর পার হয়ে গেলেও সেই পাওনা মেলে না—যা অত্যন্ত বেদনাদায়ক।
এ অবস্থায় জাতির বিবেকবান মানুষেরা প্রশ্ন রাখছেন: এমপিওভুক্ত শিক্ষক সমাজ কেমন আছে আজ? আর কবে জাগবে নীতি নির্ধারকদের বিবেক?