শিরোনাম :
স্বামী স্ত্রীর দ্বন্দ্বে ঘর বাড়ি ছাড়া বাড়ির মালিক শাশুড়ী ভালোবেসে বিয়ে করে নাহিদা স্বামীর ভিটা থেকে লাশ হয়ে ফিরলেন বাবার বাড়ী নৈশপ্রহরী ও পিয়ন যখন কলেজের হর্তাকর্তা ! দেড়শো বছরের ব্রাহ্মণবাড়ির নবীনগর আদালত পুকুর বিলুপ্তপ্রায়! আলমনগর ফজলুর রহমান মহুরী স্মৃতিবৃত্তি পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত আলমনগর ফজলুর রহমান মহুরী স্মৃতিবৃত্তি পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত নবীনগরে প্রবাসীদের উদ্যোগে’ ঈদ উপলক্ষে গরীব অসহায় এবং দুস্হ পরিবারের মাঝে মাংস বিতরণ। রতনপুর ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়নে নিজেকে উৎসর্গ করতে চাই -মোঃ ওবায়েদ উল্লাহ অবিদ নবীনগর নিউ মডেল প্রেস ক্লাবের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত জনপ্রিয়তার শীর্ষে বীরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন
রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:১১ অপরাহ্ন

স্বঘোষিত জনতার ভাইস চেয়ারম্যান পুতুল গ্রেফতারের খবরে ছাত্রদলের আনন্দ মিছিল

প্রতিনিধির নাম / ৪০৬ বার
আপডেট : রবিবার, ২০ জুলাই, ২০২৫
Oplus_131072

স্বঘোষিত জনতার ভাইস চেয়ারম্যান পুতুল গ্রেফতারের খবরে ছাত্রদলের আনন্দ মিছিল

মোঃ লিটন মিয়া নবীনগর উপজেলা প্রতিনিধিঃব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় সাবিনা ইয়াসমিন পুতুল নামের স্বঘোষিত জনতার ভাইস চেয়ারম্যান পুতুল গ্রেফতার । শনিবার (১৯ জুলাই) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গত বছরের ৫ আগস্টের আগে একটি মিছিলে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হামলার ঘটনায় দায়ের হওয়া সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।নবীনগর থানার এফআইআর নং- ৬ তারিখ ০৬ ডিসেম্বর, ২০২৪,জি আর নং৩০৩, ধারা-৬/১০/১১/১২ সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯।
সাবিনা ইয়াসমিন পুতুল (৩৯) এর পিতার নাম মৃত নসু মিয়া, মাতা মৃত সালেহা খাতুন,আলমনগর।স্বামী আক্কার হোসেন, বাড়ী আহাম্মদপুর,লাউর ফতেহপুর ইউনিয়ন, নবীনগর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।

পুতুল নবীনগর বাজারের সমবায় সুপার মার্কেটের একজন মনোহরি ব্যবসায়ী ও দৈনিক ভোরের সময় পত্রিকার নবীনগর প্রতিনিধি।

এদিকে তার গ্রেপ্তারের পরপরই স্থানীয় ছাত্রদলের ও বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের কয়েকশ নেতাকর্মীরা আনন্দ মিছিল করে।

নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনূর ইসলাম বলেন পুতুলের গ্রেপ্তারের সত্যতা নিশ্চিত করেন।

জানা গেছে, গ্রেপ্তার হওয়া পুতুল একজন আওয়ামী সমর্থক হিসেবেই সব মহলে পরিচিত হলেও ৫ আগষ্টের প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের পর আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা,স্থানীয় সাবেক সংসদ সদস্য এবাদুল করিম বুলবুল, ফয়জুর রহমান বাদল ও স্থানীয় অনেক সাংবাদিককে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ন্যাক্কারজনক ভাষায় লেখালেখি করে । সবশেষ গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থক হিসেবে তৎকালীন আওয়ামী লীগ এমপি ফয়জুর রহমান বাদলের ছবি দিয়ে পোস্টার করে তিনি নির্বাচনে অংশ নেন।

তবে ওই নির্বাচনে তিনি প্রতিদ্বন্দি প্রার্থী মাহমুদা আক্তার শিউলির নিকট ৩০ হাজার ভোটে পরাজিত হন। এরপর ‘জনতার ভাইস চেয়ারম্যান’ নামের ফেসবুক পেজ থেকে নিয়মিত নানা বিষয়ে আক্রমণাত্মক লেখালেখি করতে থাকেন তিনি।

তবে একাধিক সূত্র জানায়, পুতুলের মেয়ে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী হলেও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় অংশগ্রহণ করেনি। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে পুতুল নিজে অভিভাবক হিসেবে একদিন মিছিল-সমাবেশে অংশ নেন।আওয়ামী সরকারের পতন হলে ঐ মিছিলকে নিজের আত্নরক্ষার অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে আওয়ামী বিরোধী পোস্ট করে মূলত নিজের পাপ ঢাকার চেষ্টা করেন।

সবশেষ গত সপ্তাহে ‘জনতার ভাইস চেয়ারম্যান পুতুল’ নামের ওই আলোচিত ফেসবুক পেজটি থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে কটূক্তি করে একটি পোস্ট দিয়ে পুতুল নতুন করে সমালোচিত হন।

সেসময় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মীরা পুতুলের গ্রেপ্তারের দাবিতে স্ব স্ব ফেসবুকে একাধিক পাল্টা পোস্ট দিতে থাকেন।
এ বিষয়ে নবীনগর পৌর এলাকার মাঝিকাড়ার বাসিন্দা, জেলা বিএনপির সদস্য হজরত আলী বলেন, গ্রেপ্তার হওয়া পুতুল একজন চিহ্নিত আওয়ামী দোসর। সে কিছুদিন আগেও আগামীদিনের রাষ্ট্রনায়ক, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে কটূক্তি করে ফেসবুকে ক্ষমার অযোগ্য একটি পোস্ট দিয়েছে। তাই তার গ্রেপ্তারের পরই আমরা পুতুলের মতো আরো যারা আওয়ামী দোসর হিসেবে লেখালেখি করে, তাদের গ্রেপ্তারের দাবিতে আমরা মিছিল করেছি।

নবীনগর থানার ওসি শাহীনূর ইসলাম বলেন, ৫ আগস্টের আগে উপজেলার শিবপুরে অনুষ্ঠিত বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের একটি মিছিলে আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হামলার ঘটনায় দায়ের হওয়া সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় পুতুলের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে।
নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনূর ইসলাম পুতুলের গ্রেপ্তারের সত্যতা নিশ্চিত করেন।

জানা গেছে, গ্রেপ্তার হওয়া পুতুল একজন আওয়ামী সমর্থক হিসেবেই সব মহলে পরিচিত। সবশেষ গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থক হিসেবে তৎকালীন আওয়ামী লীগ এমপি ফয়জুর রহমান বাদলের ছবি দিয়ে পোস্টার করে তিনি নির্বাচনে অংশ নেন।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে ‘কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের’ অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

বিক্ষোভ-মিছিলে নেতৃত্ব দেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সদস্য হজরত আলী, নবীনগর উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান মুকুল,জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি ইকবাল হোসেন রাজু ,উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক এমদাদুল বারী, নবীনগর পৌর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আশরাফ হোসেন রুবেল, নবীনগর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক আপেল মাহমুদ প্রমুখ।

নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে নবীনগর থানা গেট থেকে পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে সমবায় সুপার মার্কেটের সামনে সমাবেশ করেন।

পরে সেখানে নেতারা বক্তব্য দেন।
বক্তারা সাবিনা ইয়াসমিন পুতুলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করে বলেন, আওয়ামী লীগের এই মহিলা নেত্রী বিভিন্ন সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অশালীন কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে থাকেন এবং নিজেকে নিজেই জনতার ভাইস-চেয়ারম্যান দাবি করেন। বক্তারা তারেক রহমানকে ভবিষ্যতের রাষ্ট্রনায়ক উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

বিক্ষোভ-মিছিলে আরো উপস্থিত ছিলেন নবীনগর সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাজু খান, নবীনগর সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক গোলাম ছামদানী হৃদয়, নবীনগর পৌর ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক জাহিদুল ইসলাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক তৌফিকুল ইসলাম তপু, নবীনগর উপজেলা শ্রমিক দল নেতা গোলাম মোস্তফা, নবীনগর উপজেলা শহিদ জিয়া পরিষদের সভাপতি সুমন মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক টিপু সুলতান প্রমুখ

Facebook Comments Box


এ জাতীয় আরো সংবাদ