নবীনগরে আলোচিত জোড়া খুনের মামলায় গ্রেপ্তার ৩
মোঃখলিলুর রহমান খলিলঃব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে শিপন ও ইয়াছিন হত্যার ঘটনার পাল্টা মামলায় র্যাব ও পুলিশের যৌথ অভিযানে বুধবার রাতে তিন জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— স্থানীয় বড়িকান্দি গ্রামের মো. মালন মিয়ার ছেলে আতিকুর রহমান হৃদয় (২৮), নুরজাহানপুর গ্রামের আনোয়ারুল মিয়ার ছেলে সাইমন (২০) ও থোল্লাকান্দি গ্রামের মো. আমির মিয়ার ছেলে মো. বাবলু মিয়া (২০)।
র্যাব-৯ সূত্রে জানা যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার বড়িকান্দি ইউনিয়নের গণিশাহ মাজার এলাকায় মাদকের আধিপত্য নিয়ে থোল্লাকান্দি গ্রামের রিফাত ও নূরজাহানপুর গ্রামের শিপনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
উল্লেখ্য ১ নভেম্বর রাত আনুমানিকআটটায় বিরোধের জের ধরে রিফাত বাহিনীর সন্ত্রাসী হামলায় শিপন ও ইয়াছিন গুলিবিদ্ধ হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুজন মারা যান।
এ ঘটনার পর নিহত শিপনের বাবা পুলিশের তালিকা বদ্ধ মনেক ডাকাতের বিক্ষুব্ধ লোকজন পাল্টা হামলা চালিয়ে থোল্লাকান্দি গ্রামের এমরান মাস্টারের অফিসে ব্যাপক ব্যাপক ভাঙচুর ও এমরান মাস্টারকেও গুলি করে। গুলিবিদ্ধ এমরান হোসেন স্থানীয় শ্যামগ্রাম মোহিনী কিশোর স্কুল এন্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক।
নবীনগর থানার ওসি শাহীনূর ইসলাম বলেন, জোড়া খুনের ঘটনায় থানায় পাল্টাপাল্টি দুটি মামলা হয়েছিল, হত্যা মামলায় চারজন আগে গ্রেপ্তার হয় , ১৯ নভেম্বর বুধবার দিবাগত রাতে পাল্টা মামলায় আরো তিনজনসহ মোট সাতজন গ্রেপ্তার হলেন। গ্রেপ্তার হওয়া তিনজনকে আজ বৃহস্পতিবার আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে র্যাব-৯ সিপিসি-১ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. নুরনবী বলেন, পাল্টাপাল্টি এ হামলার ঘটনায় নবীনগর থানায় দুটি পৃথক মামলা হয়। ইতোমধ্যে একটি মামলায় (হত্যা) গত ১০ নভেম্বর র্যাবের বিশেষ অভিযানে অস্ত্রসহ দুজনকে এবং পরে পুলিশ আরো দুজনসহ মোট চারজনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হন।