শিরোনাম :
প্রবাসীর পরিবারের উপরে হামলা ও স্বর্ণালঙ্কার লুটপাটের অভিযোগ! জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনে বিএনপির মহিলা সংসদ সদস্য পদে এগিয়ে আছেন মহিলা দলের নেত্রী প্রফেসর নায়লা ইসলাম রায়পুরার জনপ্রতিনিধির লাশ নবীনগরে উদ্ধার! নবীনগরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বাধা গুলিবিদ্ধ ৪ আহত ২০ জন নবীনগরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে বাঁধা গুলিবিদ্ধ ৪ হতাহত ২০ নবীনগর থেকে মাদক সন্ত্রাস নির্মূল করবো ইনশাআল্লাহ – এমপি এড. এম এ মান্নান উত্তরায় সফলভাবে সম্পন্ন হলো এইচআর অ্যান্ড কমপ্লায়েন্স মাস্টারক্লাস মরিচ্যা চেকপোস্টে বাসে লুকানো ১০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, চালক আটক জেএসএফবি চট্টগ্রাম মহানগর কমিটি গঠন সভাপতি জিন্নাত আলী, সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম ফরহাদ হোসেন আজাদ পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী হওয়ায় পঞ্চগড়ের বোদায় আনন্দ মিছিল।
শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০৫:২২ অপরাহ্ন

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনে বিএনপির মহিলা সংসদ সদস্য পদে এগিয়ে আছেন মহিলা দলের নেত্রী প্রফেসর নায়লা ইসলাম

প্রতিনিধির নাম / ৫৬ বার
আপডেট : শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনে বিএনপির মহিলা সংসদ সদস্য পদে এগিয়ে আছেন মহিলা দলের নেত্রী প্রফেসর নায়লা ইসলাম

মোঃখলিলুর রহমান খলিলঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়া ৫ আসনে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন চেয়েছিলেন অধ্যাপক নায়লা ইসলাম। নায়লা ইসলাম তৃণমূল থেকে উঠে আসা জাতীয়তাবাদী দলের মতাদর্শে ও সিদ্ধান্তে বিশ্বাসী কারানির্যাতিত নেত্রী।তিনি ছাত্রজীবনে মাধ্যমিকে পড়াকালীন সময় থেকেই একজন জাতীয় পর্যায়ে খেলাধুলায় নবীনগরের প্রতিনিধিত্ব করা জনপ্রিয় এথলেটিক্স। নায়লা ইসলাম ছোটবেলা থেকেই একজন দক্ষ এথলেট। চতুর্থ শ্রেণী থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত তিনি তাঁর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চ্যাম্পিয়ান হতেন – বার্ষিক ক্রীড়াপ্রতিযোগিতায়।
এছাড়াও তিনি বাংলাদেশ এমেচার এথলেটিক ফেডারেশনের নিয়মিত ক্রীড়াবিদ ছিলেন। নায়লা ইসলাম অধ্যাপনা ও রাজনীতির পাশাপাশি একজন সফল অভিভাবক ও আদর্শ মাতা।
নায়লা ইসলামের এক পুত্র – নিউজিল্যান্ডে সফটওয়্যার ইন্জিনিয়ার ও কন্যা নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছেন। নবীনগরের বিশেষ করে নারী সমাজ এই শিক্ষিত , মানবিক , জনদরদী এবং প্রকৃত অর্থেই জনমানুষের আত্নার আত্বীয় এবং দল ও দেশের জন্য নিবেদিত প্রাণ নায়লা ইসলামকে ব্রাহ্মণবাড়ীয়াবাসী সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি হিসাবে দেখতে চান।

তিনি রাজধানীর ডেমরা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সিনিয়র অধ্যাপক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দল কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়ীয়া) উপজেলা মহিলা দলের সভানেত্রী, কারানির্যাতিত নেত্রী অধ্যাপক নায়লা ইসলাম।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া ৫ আসনের সংসদ সদস্যপ্রার্থী মো. আবদুল মান্নানের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় নবীনগর উপজেলা মহিলা দলের সভানেত্রী হিসেবে বলিষ্ঠভাবে নেতৃত্বদানের কারণে ওই আসনসহ সর্বত্র প্রফেসর নায়লা ইসলামের ব্যাপক সুনাম ছড়িয়ে পড়েছে। তাছাড়া তিনি দলের দুর্দিনে রাজধানীতে রাজপথে লড়াই সংগ্রাম আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন,ঢাকায় ও বিএনপির প্রার্থীদের পক্ষে গণসংযোগ করেছেন।

নায়লা ইসলামের সাথে কথা বলে জানা গেছে, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে অনার্স (১৯৯০)সহ ১৯৯১ সালে মাস্টার্স ডিগ্রি লাভ করেন।
ছাত্রজীবন থেকেই তিনি বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। নবীনগর উপজেলা মহিলা দলের সভানেত্রী হওয়ার আগে তিনি ডেমরা থানা মহিলা দলের সভানেত্রী ছিলেন। কলেজ লেভেলে যার রয়েছে প্রায় ৩০ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা।

রাজনীতির পাশাপাশি তিনি নানা সৃজনশীল ও সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত। তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা বোর্ডের প্রধান পরীক্ষক, বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতির যুগ্ম মহাসচিব, বাংলাদেশ ফেডারেশন অব টিচার্স এসোসিয়েশনের জয়েন্ট কনভেনর, ঢাকা মহানগরীর ডেমরা, যাত্রাবাড়ি, শ্যামপুর ও কদমতলী চার থানার সমন্বয়ে গঠিত ডেমরা জোন রোভার স্কাউটসের সম্পাদক, ঢাকা ইউনিভার্সিটি সোস্যাল থিংকিং রিসার্চ সেন্টারের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও রসুল্লাবাদ ইউ এ খান হাইস্কুল এলামনাই এসোসিয়েশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট।

জানা গেছে, ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ায় প্রথম মহিলা হিসাবে প্রফেসর নায়লা ইসলাম সরাসরি বিএনপি থেকে নমিনেশন চেয়েছিলেন। দলীয় নমিনেশন না পেলেও দলের সিদ্ধান্ত মেনে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে ধানের শীষের লিফলেট বিতরণকালে তিনি নবীনগরে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন এবং ব্রাহ্মণবাড়ীয়া কারাগারে ১৯ দিন জেল খাটেন।

এলাকার মানুষের সাথে কথা বলে জানা গেছে, তিনি দলের প্রতি নিবেদিতপ্রাণ।বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলন থেকে শুরু করে দলীয় প্রতিটি কর্মসূচিতে তার একটি বলিষ্ঠ ভূমিকা লক্ষ্যণীয়। বিগত দুঃশাসন ও ফ্যাসিবাদ বিরোধী প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি রাজপথে সরব ছিলেন। শুধুমাত্র দলীয় কারণে তিনি একাধিক মামলার আসামী। তাকে মূল্যায়ন করা এখন সময়ের দাবি।

নবীনগর বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি, মোড়াপাড়া ডিগ্রি কলেজের সাবেক প্রিন্সিপাল ও বিএনপিপন্থী কলেজ শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যক্ষ ইউনুস মোল্লা বলেন, আমার বাড়ি নবীনগর উপজেলার বাঙ্গরা গ্রামে। শোনা যাচ্ছে, আমার রাজনৈতিক সহযোদ্ধা প্রফেসর নায়লা ইসলাম সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি হবেন। নির্বাচন ও দলীয় ক্ষেত্রে তার যে অবদান, এটা তার প্রাপ্য বলে আমি মনে করি। দলের জন্য কারাবরণসহ তার ডেডিকেশন দৃষ্টান্তমূলক। সময়ের দাবি অনুযায়ী তাকে মূল্যায়ণ করলে দল একজন নিবেদিতপ্রাণ ও উচ্চশিক্ষিত অধ্যাপককে সংসদ সদস্য পাবে।

নবীনগর উপজেলা বিএনপির সদস্য ও খালেদা জিয়া মুক্তি পরিষদ নবীনগর উপজেলার সভাপতি আহমেদ রুবেল বলেন, অধ্যাপক নায়লা ইসলাম ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন চাইলেও তাকে না দেয়ায় দলীয় সিদ্ধান্ত হাসিমুখে মেনে নিয়ে আবদুল মান্নান ভাইয়ের পক্ষে নিবেদিতভাবে কাজ করেছেন। তিনি জুলাই আন্দোলনেও অনন্য ভূমিকা রেখেছেন। ২০১৮ সালে মহিলা হয়েও দলের জন্য জেল খেঁটেছেন। তিনি একজন কর্মীবান্ধব নেত্রী এবং এলাকায় অনেক জনপ্রিয়। আমরা প্রত্যাশা করি, বিএনপির চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান অধ্যাপক নায়লা ইসলামের অবদানকে মূল্যায়িত করবেন।

নবীনগর উপজেলা বিএনপির সদস্য ও খালেদা জিয়া মুক্তি পরিষদ নবীনগর উপজেলার সভাপতি আহমেদ রুবেল বলেন, অধ্যাপক নায়লা ইসলাম ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন চাইলেও তাকে না দেয়ায় দলীয় সিদ্ধান্ত হাসিমুখে মেনে নিয়ে আবদুল মান্নান ভাইয়ের পক্ষে নিবেদিতভাবে কাজ করেছেন। তিনি জুলাই আন্দোলনেও অনন্য ভূমিকা রেখেছেন। ২০১৮ সালে মহিলা হয়েও দলের জন্য জেল খেঁটেছেন। তিনি একজন কর্মীবান্ধব নেত্রী এবং এলাকায় অনেক জনপ্রিয়। আমরা প্রত্যাশা করি, বিএনপির চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান অধ্যাপক নায়লা ইসলামের অবদানকে মূল্যায়িত করবেন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। নবীনগর উপজেলা মহিলা দলের সভানেত্রী হওয়ার আগে তিনি ডেমরা থানা মহিলা দলের সভানেত্রী ছিলেন। কলেজ লেভেলে যার রয়েছে প্রায় ৩০ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা।

Facebook Comments Box


এ জাতীয় আরো সংবাদ