শিরোনাম :
রামু উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বন্যাদুর্গত মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ জলাবদ্ধতায় বিপর্যস্ত সেনবাগ পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড, দ্রুত সমাধানের দাবি বাসিন্দাদের সেনবাগে আইন-শৃঙ্খলা উন্নয়নে সক্রিয় পুলিশ, নেতৃত্বে ওসি আবদুর রহিম ২৮তম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে শ্রীশ্রী লোকনাথ ধামে ১৫ দিনব্যাপী তারকব্রহ্ম মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠান ও নামযজ্ঞ মহোৎসব সড়ক দুর্ঘটনায় আরেক প্রাণহানি, কবিরহাটে নিহত ৬০ বছরের কৃষক ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ: বহুভাষার পরম তীর্থযাত্রী-এর মৃত্যু বার্ষিকীতে স্মরণ করছি তাঁর জীবন ও কর্ম – মোশাররফ হোসাইন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নবীনগরের কথা পত্রিকার অনলাইন সংস্করণের শুভ উদ্বোধন বার্জার ঢাকা নর্থ সেলসে জিএসএম ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত : একই অনিয়মে ফের ধরা দুই বেসরকারি হাসপাতাল, কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ বাংলাদেশে সাংবাদিকদের জন্য আইন, নীতিমালা ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা: একটি পূর্ণাঙ্গ আলোচনা”–প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের।
রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৭:৪৬ অপরাহ্ন

কোম্পানীগঞ্জে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মাদ্রাসা দখলচেষ্টার অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম / ৪০৮ বার
আপডেট : শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী, ২০২৬

কোম্পানীগঞ্জে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে মাদ্রাসা দখলচেষ্টার অভিযোগ

কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি:
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় একটি মাদ্রাসার চেয়ারম্যান পদকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বসুরহাট বাজার শাখার সাধারণ সম্পাদক খাজা গিয়াস উদ্দিন মাহমুদের বিরুদ্ধে মাদ্রাসা দখলচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় মাদ্রাসার শেয়ারহোল্ডার মো. ওয়াহিদ হোসেন রকি সোমবার সন্ধ্যায় খাজা গিয়াস উদ্দিনকে অভিযুক্ত করে কোম্পানীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের পরদিন মঙ্গলবার দুপুরে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে উপজেলার বসুরহাট বাজারের হাইস্কুল রোডে শরিয়ত উল্যাহর মালিকানাধীন একটি ভবনে ৯ জন অংশীদার মিলে ‘বসুরহাট দারুননাজাত মাদ্রাসা’ প্রতিষ্ঠা করা হয়। প্রতিষ্ঠাকালীন চুক্তিনামায় বয়সে সিনিয়র হওয়ায় খাজা গিয়াস উদ্দিন মাহমুদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তবে প্রতিষ্ঠার পর তিনি মাত্র ২৫ হাজার টাকা প্রদান করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

বাকি অর্থ পরিশোধের দাবি জানালে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে শেয়ারহোল্ডারদের অবগত না করে এবং কোনো রেজুলেশন ছাড়াই মাদ্রাসার ট্রেড লাইসেন্স নিজের নামে করে নেন বলে অভিযোগ করা হয়। একই সঙ্গে শেয়ারহোল্ডারদের অজান্তে মাদ্রাসার হিসাব থেকে ১ লাখ ৫ হাজার টাকা অন্য একটি হিসাবে স্থানান্তরের অভিযোগও করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, খাজা গিয়াস উদ্দিন নিজেকে মাদ্রাসার চেয়ারম্যান দাবি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন পোস্ট দেন এবং ট্রেড লাইসেন্স ও চুক্তিপত্র নিজের নামে বলে প্রচার করেন। এ বিষয়ে প্রশ্ন তুললে তিনি শেয়ারহোল্ডারদের অপমান ও হুমকি দেন এবং একপর্যায়ে মারধর করে মাদ্রাসা থেকে বের করে দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি আশঙ্কায় কোম্পানীগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। পরে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল হাকিম ও ওসি (তদন্ত) বিমল কর্মকার মঙ্গলবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি নুরুল হাকিম বলেন, “মাদ্রাসাটি ৯ জনের মালিকানাধীন। চেয়ারম্যান পদকে কেন্দ্র করে খাজা গিয়াস উদ্দিন ও অধ্যক্ষ আবদুল্লাহ আল নোমানের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে। যেহেতু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, তাই বিষয়টি ইউএনও বরাবর উপস্থাপনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কোনো ফৌজদারি অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

অভিযোগের বিষয়ে খাজা গিয়াস উদ্দিন মাহমুদ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “জামায়াতের উচ্চপর্যায়ের নেতাদের উপস্থিতিতে আলোচনার মাধ্যমে মাদ্রাসার মূল্য ১৪ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়। সে অনুযায়ী জামায়াতের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা মিজানুর রহমানের কাছে চেক প্রদান করেছি। কিন্তু তারা সেই সিদ্ধান্ত মানেনি।”

এদিকে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, “আমরা ১৪ লাখ টাকার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছি এবং বিষয়টি জামায়াতের উচ্চপর্যায়ের নেতাদের জানানো হয়েছে। এরপরও খাজা গিয়াস উদ্দিন মাদ্রাসা দখলের চেষ্টা চালাচ্ছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি উপস্থিত ছিলেন না। পরবর্তীতে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে।”

Facebook Comments Box


এ জাতীয় আরো সংবাদ