শিরোনাম :
বার্জার ঢাকা নর্থ সেলসে জিএসএম ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত : একই অনিয়মে ফের ধরা দুই বেসরকারি হাসপাতাল, কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ বাংলাদেশে সাংবাদিকদের জন্য আইন, নীতিমালা ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা: একটি পূর্ণাঙ্গ আলোচনা”–প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের। চকরিয়া বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে স্বপ্নতরী স্বেচ্ছাসেবী যুব সংগঠন, ৫০ পরিবার পেল ত্রাণ চেয়ারম্যান পদে ওবায়েদ উল্লাহ অবিদের গ্রাম বাসীর সমর্থন আদায়ঃ আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা শুরু। সাংবাদিক নাজিম সর্দারের পিতার ৫ম মৃত্যু বার্ষিকী পঞ্চগড়ের বোদায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ১ম শ্রেণীর স্কুলছাত্রীর বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতাই জবাবদিহিমূলক সমাজ গঠনের অন্যতম হাতিয়ার” — প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের নাফ নদীতে ১ লাখ ২০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, ফারির বিল সীমান্তে ২০ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ; আটক ২ ২-৩ মাসের মধ্যে শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন হবে: শিক্ষামন্ত্রী
শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪১ পূর্বাহ্ন

গাজীপুর-২ আসনের নতুন সীমানা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন ডা. মাজহারুল আলম

প্রতিনিধির নাম / ৫৩৫ বার
আপডেট : রবিবার, ৩ আগস্ট, ২০২৫

মোঃ বিল্লাল হোসেনঃ
আবেদনের প্রেক্ষাপটঃ

• বিএনপির কেন্দ্রিয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য, বিশিষ্ঠ লেখক ও গবেষক ডা: মাজহারুল আলমের আবেদনের ভিত্তিতে গাজীপুর-২ আসনের নতুন সীমানা নির্ধারিত হয়েছে।

• গত ২২ জুন ২০২৫ তারিখে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাত করে তিনি লিখতভাবে এই আবেদন করেন, যাহার ডাইরী নম্বর ৫৯২৮ তাং ২২.০৬.২৫।

• তার আবেদন বিবেচনা করে নির্বাচন কমিশন এই সিদ্ধান্ত দিয়েছেন বলে দাবী করেছেন তিনি।

সীমানা নির্ধারণের প্রক্রিয়াঃ

• ৩০ জুলাই নির্বাচন কমিশন গাজীপুরে একটি আসন বাড়িয়ে মোট ৬টি আসনের সীমানা নির্ধারণ করে খসড়া প্রকাশ করে।

• এই খসড়ায় গাজীপুর-১ আসন থেকে বাসন, চান্দনা চৌরাস্তা, বাড়িয়া ইউনিয়নসহ বেশ কিছু এলাকা কেটে গাজীপুর-২ আসনে অন্তর্ভূক্ত করা হয়।

• এই অন্তর্ভূক্তির আবদেনই করেছিলেন ডা: মাজহারুল আলম।

জনগণের প্রতিক্রিয়াঃ

• ডা: মাজহারুল আলমের আবেদনের ভিত্তিতে গাজীপুর-২ আসনের নতুন সীমানার খসড়া প্রকাশ হওয়ায় বাসন এলাকা সহ প্রায় অনেক জায়গায় মিষ্টি বিতরণ করা হয়েছে।

• সকলে ডা: মাজহারকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

• তারা আগামী নির্বাচনে গাজীপুর-২ আসনে ডা: মাজহারুল আলমকে ধানের শীষ উপহার দেয়ার জন্য বিএনপির প্রতি দাবী জানান।

ডা: মাজহারুল আলম সম্পর্কেঃ

• কে এই ডাক্তার মাজহারুল আলম!
• ডা: মাজহারুল আলম ১ লা ফেব্রুয়ারি, ১৯৬০ জন্ম গ্রহন করেন। গাজীপুর মহানগরের বাসন থানাধীন ১৪নং ওয়ার্ডের চাঁন্দপাড়া গ্রামের ঐতিহ্যবাহী মন্ডল পরিবারে।
• বাবা মরহুম হামিদ মন্ডল সরকারি চাকুরী করতেন, মা গৃহিণী।
• ডা. মাজহাররা চার ভাই ও তিন বোন
• দুই ভাই ও এক বোন ডাক্তার এবং এক ভাই গাজীপুর বারের সিনিয়র এডভোকেট, এক ভাই ইউনিয়ন পরিষদ সচিব। এক বোন গাজীপুর সরকারী নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষ।
• এছাড়াও তাদের পরিবারে তরুন ডাক্তার এক ডজন।

• বিএনপিতে শুরু বিএনপিতেই শেষ।

ডাঃ মাজহারুল আলমের রাজনৈতিক জীবনঃ

• যৌবনের উত্তাল সময় চলে গেছে।

• সীমাহীন নিপীড়িন সহ্যৃ করেও বিএনপির জন্য নিবেদিত প্রাণ ডাক্তার মাজহারুল আলম রাজপথে সক্রিয় থেকে গেছেন সকল দু:সময়েও।

• বিসিএস পাশ করা মাজহার ডাক্তার চাকুরীও হারিয়েছেন বিএনপি করে।

• বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, এই নেতা বিএনপিকে শুধু দিয়েই গেছেন।

• সেবা ও ত্যাগের বিনিময়ে পাননি ভালো কোন পদও।

• তবুও তিনি বিএনপিতেই আছেন।

• জীবনের শেষ বিন্দুতেও বিএনপিতে থাকতে চান।

ডাঃ মাজহারুল আলমের পদ ও দায়িত্বঃ

• ডা.মাজহারুল আলম, সদস্য,জাতীয় নির্বাহী কমিটি,বিএনপি।

• তিনি সাবেক দপ্তর ও যুগ্ম সম্পাদক, গাজীপুর জেলা বিএনপি।

• সাবেক কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, জিয়া পরিষদ।

• সাবেক সমন্বয়কারী, গাজীপুর জেলা বিএনপি।

• প্রধান সমন্বয়কারী, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন,গাজীপুর জেলা।

• সভাপতি, জিয়া পরিষদ, গাজীপুর।

• সাবেক সভাপতি, ড্যাব,গাজীপুর জেলা।

ডাঃ মাজহারুল আলমের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও সরকারি চাকরিঃ

• এস এস সিঃ ১ম বিভাগ (বোর্ড বৃত্তি) ঢাকা বোর্ড।

• এইচ এস সি ২য় বিভাগ, ঢাকা কলেজ, ঢাকা বোর্ড।

• বি ডি এসঃ ঢাকা ডেন্টাল কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

• বিসিএস (স্বাস্থ্য) পাবলিক সার্ভিস কমিশন, ১৯৮৪ইং।

• বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ নেন সাভার লোক প্রশাসন কেন্দ্র থেকে ১৯৯১ইং।
• ঢাকা ডেন্টাল কলেজে ‘৭৯ সালে ছাত্রদলের সাংস্কৃতিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

• ঐ সময়ে ছাত্রদল ফুল প্যানেলে ছাত্রসংসদেও পাশ করেন।

• শিক্ষা জীবনে জুনিয়র বৃত্তি প্রাপ্ত হন।

চাকরিচ্যুতি ও রাজনৈতিক কার্যক্রমঃ

• একজন সরকারী ডাক্তার হলেও ২৫ বছর চাকুরী করার সময় আওয়ামীলীগ সরকার বিএনপি করার কারনে চাকুরী ২০০৯ সালে তাকে চাকুরীচ্যুত করে।

• ২০০৭ সালে কুখ্যাত এক এগার এর ষড়যন্ত্র শুরু হলে প্রতিবাদে সোচ্চার হন তিনি।

• দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমান গ্রেফতার হলে প্রকাশ্যভাবে প্রথম প্রতিবাদ করতে জাতীয় প্রেসক্লাব, রিপোর্টার্স ইউনিটি,ন্যাম ভবনে আলোচনা সভা, সেমিনার, অনশনসহ বিভিন্ন কর্মসূচীতে সক্রিয় অংশ গ্রহন করেন তিনি।

• তার বিবৃতি ও বক্তব্য সমকালীন পত্র-পত্রিকা ফলাওভাবে প্রচারিত হয়েছে।

রাজনৈতিক পদ ও বর্তমান অবস্থাঃ

• ডাক্তারী পদে চাকুরীকালীন জেলা জিয়া পরিষদের সভাপতি ও ১৬ বছর ড্যাবের সভাপতি ছিলেন ডাক্তার মাজহার।

• ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ষড়যন্ত্রমূলক নির্বাচনে ক্ষমতা গ্রহনের পর আবারো কঠিন নির্যাতনের শিকার হয়ে চাকরি ছাড়তে বাধ্য হন।

• কিন্তু পেনসনসহ সকল পাওনা আজ তিনি পাননি।

জেলা বিএনপি পুনর্গঠনে ভূমিকাঃ

• তিনি ২০০৯ সালে ব্রি ঃজেঃ (অবঃ) হান্নান শাহকে আহবায়ক করে একটি শক্তিশালী জেলা বিএনপি পুনর্গঠনে ভূমিকা রাখেন।

আহবায়ক কমিটির দায়িত্বঃ

• জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটিতে সমন্বয়কারীও ছিলেন তিনি।

উপজেলা কমিটি গঠনঃ

• জেলা বিএনপির আহবায়ক বিঃ জেঃ অবঃ আসম হান্নান শাহকে সহযোগিতা করতে জেলার প্রতিটি উপজেলায় প্রথমে আহবায়ক কমিটি এবং পরে পুর্নাঙ্গ কমিটি গঠন কাজে সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

সদস্য সচিবের দায়িত্বঃ

• জেলার আহবায়ক কমিটিতে কোন সদস্য সচিবের পদ না থাকায় ডা: মাজহার সেই দায়িত্ব পালন করেন।

যুগ্ম সম্পাদক ও দপ্তর সম্পাদকের দায়িত্বঃ

• ২০১১ সালে গাজীপুর জেলা বিএনপির পুর্নাঙ্গ কমিটিতে তিনি যুগ্ম সম্পাাদক এবং পাশাপাশি দপ্তর সম্পাাদক হন।

কর্মসূচি পরিচালনাঃ

• ২০১১ থেকে ২০১৫ই পর্যন্ত জেলা বিএনপিতে সকল কর্মসূচি পরিচালনা করেন।

জনসভা ও তারেক রহমানের আগমনঃ

• ২০০২ সালে রাষ্ট্রপতি ও ব্রি: জে: হান্নান শাহর সাথে কাপাসিয়ায় জনসভা হলে তিনি সক্রিয়ভাবে পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেন।

• ২০০৩ সালে গাজীপুরের ঐতিহাসিক রাজবাড়ীর মাঠে তারেক রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে সর্বপ্রথম গাজীপুরে আগমন করেন।

• জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের জাতীয় অনুষ্ঠানটিতে তাঁকে আমন্ত্রন জানালে তিনি সদয় সম্মতি দেন।

• সেই বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন ডা: মাজহার।

ডাঃ মাজহারের রাজনৈতিক কার্যক্রমঃ

• এ ছাড়াও ড্যাব, জিয়া পরিষদ, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন এর প্রধান হিসেবে গাজীপুর জেলা, কেন্দ্রীয় প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন স্থানে জাতীয়তাবাদী শক্তির অনুকূলে অগণিত সভা, সেমিনার, আলোচনা, মানব বন্ধন, মিছিল, র্যালী, ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্পের নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি।

মামলা এবং দলের পদঃ

• ৫ জানুয়ারীর ভোটারবিহীন নির্বাচন এবং আওয়ামীলীগের শেষ সময় পর্যন্ত ১৬টি মামলায় আসামী করা হয় ডা: মাজহারুল কে।

কেন্দ্রীয় কমিটিতে যোগদানঃ

• ২০১৬ সালে বিএনপির কাউন্সিল হলে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া তাকে তার সততার পুরষ্কার হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য পদ দেন।

রাজনৈতিক ভূমিকাঃ

• তারপর থেকে দলের প্রয়োজনে প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন এই ত্যাগী নেতা।

বর্তমান কার্যক্রম ও কর্মসূচিঃ

• বর্তমানে বিএনপির প্রতিটি কর্মসূচিতে তিনি উল্লেখ্যযোগ্য ভুমিকা রাখছেন।

• উঠান বৈঠক, গুচ্ছ সভা, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সহ নানা ধরণের রাজনৈতিক কর্মসূচি এবং ৩১ দফার লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে তিনি বিএনপি ও তারেক রহমানের বার্তা তৃনমূলে পৌছে দেয়ার কাজ করছেন।

ডা: মাজহার এর দলের প্রতি আনুগত্যঃ

• বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির জন্মলগ্ন থেকেই দলে থাকা ডা: মাজহার বলেন, আমি জিয়ার সৈনিক।

• বেগম জিয়া ও তারেক রহমান আমার নেতা।

• আমি এর চেয়ে বেশী কিছু চাই না।।

• দল যখন যে দায়িত্ব দিবে তখন সেই দায়িত্ব আমি মাথা পেতে নিতে প্রস্তুত।

Facebook Comments Box


এ জাতীয় আরো সংবাদ