শিরোনাম :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে শ্রেষ্ঠ মৎস্যচাষী পদক পেলেন উদ্যোক্তা মনির হোসেন কলমে সত্য, হৃদয়ে মানবিকতা—এটাই হোক সাংবাদিকতার অঙ্গীকার—প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের। ভিটিবিশাড়া হজরত খাজা জহিরুল ইসলাম রহঃ এর ০৩দিনব্যাপী ওরশ আগামী শুক্রবার থেকে। নবীনগরের চতরংখোলা’য় জমকালো আয়োজনে মিনি বার ফুটবল টুর্ণামেন্টে ফাইনাল অনুষ্ঠিত। জাতির জনক — শ্যামল বর্মন শিমুল মাদক,সন্ত্রাস ও যানযট মুক্ত করতে নবীনগরের প্রশাসন ও জনগণের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন — এমপি এডভোকেট আব্দুল মান্নান জনপ্রতিনিধি শূন্য ও জনবল সংকটে নবীনগর পৌরসভা ভোগান্তিতে জনগণ! নবীনগরে মাদকাসক্ত ও মাদক ব্যবসায়ীদের আতংকের নাম ওসি মোরশেদুল আলম চৌধুরী মেঘনার নদী ভাঙনের নবীনগর উপজেলার মানচিত্র থেকে বিলীনের পথে পশ্চিম ইউনিয়নের তিন গ্রাম! ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে বিলের দেশীয় মাছ বিলুপ্তের পথে
সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:০৭ পূর্বাহ্ন

না ফেরার দেশে চলে গেলেন চলচ্চিত্র পরিচালক সোহানুর রহমান সোহান

প্রতিনিধির নাম / ২০১৭ বার
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

জীবনসঙ্গীকে হারিয়ে শোকে কাতর ছিলেন ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ নির্মাতা সোহানুর রহমান সোহান। সোহানের স্ত্রী প্রিয়া রহমান মস্তিস্কে রক্তক্ষরণে গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মারা গেছেন। স্ত্রীর মৃত্যুর ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে সোহানও চলে গেলেন। আজ বুধবার বিকেলে উত্তরার বাসায় ঘুমিয়ে ছিলেন সোহান, অনেক ডাকাডাকি করেও তাঁর সাড়া পাননি গৃহকর্মী। পরে অচেতন অবস্থায় সন্ধ্যা ৬টা ৪৪ মিনিটে উত্তরা ক্রিসেন্ট হাসপাতালে নেওয়া হয় তাঁকে।
হাসপাতালে নেওয়ার আগে ঘুমের মধ্যেই সোহানের মৃত্যু হয়েছে বলে জানান হাসপাতালের মেডিকেল কর্মকর্তা তানভীর ইসলাম। সোহানের বয়স হয়েছিল ৬৩ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিসে ভুগছিলেন। তবে সোহানের মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হতে পারেননি চিকিৎসকেরা। মৃত্যুকালে তিনি দুই মেয়েকে রেখে গেছেন।

সোহানের মৃত্যুর খবরে ঢাকাই সিনেমার পরিচালক, শিল্পীরা হাসপাতালে ভিড় করেন। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সাবেক সভাপতি ছিলেন তিনি। চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি কাজী হায়াৎ, মহাসচিব শাহীন সুমন, প্রযোজক খোরশেদ আলমসহ আরও অনেকে শোক জানিয়েছেন।
সোহানের মরদেহ উত্তরা ক্রিসেন্ট হাসপাতালে হিমঘরে রাখা হয়েছে। সোহানের স্ত্রী প্রিয়া রহমানকে টাঙ্গাইলে শ্বশুরবাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে সমাহিত করা হয়েছে। স্ত্রীর কবরের পাশেই তাঁকে সমাহিত করার ইচ্ছাপোষণ করে গেছেন সোহান। তবে দাফনের বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

সোহানুর রহমান সোহান তাঁর ক্যারিয়ার শুরু করেন নির্মাতা শিবলী সাদিকের সহকারী পরিচালক হিসেবে। সেটা ১৯৭৭ সালের কথা। এরপর তিনি শহীদুল হক খানের ‘কলমিলতা’ (১৯৮১), এজে মিন্টুর ‘অশান্তি’ (১৯৮৬) ও শিবলী সাদিকের ‘ভেজা চোখ’ (১৯৮৮) সিনেমাগুলোতে সহকারী হিসেবে কাজ করেছেন।
প্রধান নির্মাতা হিসেবে সোহানুর রহমান সোহান আত্মপ্রকাশ করেন ১৯৮৮ সালে। তাঁর পরিচালিত প্রথম সিনেমা ‘বিশ্বাস অবিশ্বাস’। তবে তিনি সাফল্য পান ১৯৯৩ সালে। সিনেমার নাম ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’। এই সিনেমার মাধ্যমে সিনেমায় আত্মপ্রকাশ করেন এবং তারকাখ্যাতি পান প্রয়াত নায়ক সালমান শাহ, নায়িকা মৌসুমী ও কণ্ঠশিল্পী আগুন।

সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত অন্যান্য সিনেমাগুলো হচ্ছে ‘আমার দেশ আমার প্রেম’, ‘স্বজন’, ‘আমার ঘর আমার বেহেশত’, ‘অনন্ত ভালোবাসা’, ‘স্বামী ছিনতাই’, ‘আমার জান আমার প্রাণ’, ‘পরাণ যায় জ্বলিয়া রে’, ‘কোটি টাকার প্রেম’, ‘সে আমার মন কেড়েছে’, ‘দ্য স্পিড’ ও ‘লোভে পাপ পাপে মৃত্যু’ ইত্যাদি। সোহানের ‘অনন্ত ভালোবাসা’ সিনেমার মাধ্যমেই আত্মপ্রকাশ করেছিলেন চিত্রনায়ক শাকিব খান। বর্তমানে যিনি ঢালিউডের শীর্ষ তারকা।
১৯৬০ সালের ১৫ অক্টোবর বগুড়ার ফুলবাড়ীতে জন্মগ্রহণ করে সোহান। বগুড়া ও জয়পুরহাটে স্কুল ও কলেজজীবন শেষে ঢাকায় আসেন তিনি। পড়াশোনা করেছেন ঢাকার সিদ্ধেশ্বরী কলেজে।

 

Facebook Comments Box


এ জাতীয় আরো সংবাদ