বগুড়ার শেরপুর পৌর প্রকৌশলী এসএম শফিকুলের বিরুদ্ধে উপদেষ্টা সহ বিভিন্ন দপ্তরের অভিযোগ।♦
স্টাফ রিপোর্টারঃবগুড়া জেলার শেরপুর পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী (বর্তমান) তৎকালীন সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) এসএম শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে টেন্ডার বাণিজ্য সহ নানান অনিয়ম দূর্নীতির অভিযোগে এনে স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা সহ বিভিন্ন দপ্তরের অভিযোগ করেছে এক গণমাধ্যম কর্মী।
তথ্য সূত্রে জানা যায়,রাষ্ট্রী ও জনস্বার্থে অভিযোগ করা গণমাধ্যম কর্মী জাতীয় দৈনিক আমার সংগ্রাম পত্রিকার রিপোর্টার মোহাম্মদ সমশের।
অভিযোগুলোতে উল্লেখ্য রয়েছে, মোঃ জাহেদ মুরাদ,ব্যবস্থাপনা পরিচালক ম্যাক ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড,ঠিকানা- ১৭ পশ্চিম নাখালপাড়া,তেজগাঁও, ঢাক। ট্রেড লাইসেন্স নং-TRAD/DNCC/019789/2022 প্রতিষ্ঠানের নামে স্থানীয় সরকার ও সমবায় মন্ত্রণালয় কতৃক শেরপুর পৌরসভা বগুড়ার RUTDP প্রজেক্ট কোড ২২৪৪০৫৮০০ এর দরপত্র আইডি নং ১১৩০৭০২ এ BC রোড হাজীপুর টু ধনুট লিংক রোড এর ড্রেন সহ রাস্তার কাজের একটি দরপত্র ১ লা সেপ্টেম্বর ক্রয় করে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানটি ।এতে সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে সতের কোটি নয় লক্ষ একত্রিশ হাজার সাতশত চৌত্রিশ টাকা সাতশত বার পয়সা দাখিল করায় নিয়ম অনুযায়ী সে কাজের টেন্ডারটি পায়। কিন্তু শেরপুর পৌরসভার তৎকালীন সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) বর্তমানে নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম শফিকুল ইসলাম মোটা অংকের টাকা লেনদেনের বিনিময়ে ১লা সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে দরপত্র দাখিলের শেষ তারিখ হলেও আইনের তোয়াক্কা না করে গত ১৪/১০/২০২৫ ইং তারিখে সতের কোটি তেইশ লক্ষ ছিয়ানব্বই হাজার পাঁচশত আটাশি টাকা চারশত চৌষট্টি পয়সা দাখিল করিয়ে তৃতীয় সর্বনিম্ন দরপত্র প্রস্তাব কারী হিসেবে M.A Engineering & Mizanur Alam(JV) কে সুযোগ করে দেয়।যা সম্পূর্ন বেআইনি ও নিয়ম বহির্ভূত।
এবিষয়ে ম্যাক ইঞ্জিনিয়ারিং ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান জানান ,সাধারণ মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের সরকারি অর্থ আত্মসাৎ কারী, টেন্ডার বাণিজ্য করে কোটি কোটি টাকা মালিক হওয়া শফিকুল ইসলামের নানান দূর্নীতি বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য শেরপুর পৌরসভার তৎকালীন নির্বাহী প্রকৌশলী বরাবর অভিযোগ দায়ের করেও কোন প্রতিকার পায়নি অদৃশ্য কারণে। এছাড়া দূর্নীতিবাজ সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) সফিকুল এখন নিজেই নির্বাহী প্রকৌশলীর দায়িত্ব পালন করছে।
এবিষয়ে অভিযোগকারী জানান,সরজমিনে জনশ্রুতি রয়েছে এস এম শফিকুল পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) থাকাকালীন সময়ে বিভিন্ন কাজে টেন্ডার বাণিজ্য সহ নানান দূর্নীতি করে কোটি কোটি টাকা উপার্জন করেছে ,যা বিভিন্ন ব্যাংক একাউন্টে গচ্ছিত রেখেছে সে। এমনকি ঢাকা সহ তার নিজ এলাকায় প্রকাশ্যে ও গোপনে নামে বেনামে কোটি কোটি টাকার সম্পদও ক্রয় করেছে উপার্জিত অবৈধ অর্থ দিয়ে। তার এসব অনিয়ম দূর্নীতির কারণে পৌরবাসীর সীমাহীন ভোগান্তি পোহাচ্ছে। জনস্বার্থে গোপনে তদন্ত করলে তার সকল অনিয়ম খুঁজে পাবে।
অভিযোগের বিষয়ে প্রকৌশলী এস এম শফিকুল কে একাধিক ফোন দিয়েও পাওয়া যায়নি।