বিএনপি নেতা আমিনুল স্বপনের নেতৃত্বে
সাংবাদিকের বাড়িতে হামলা ও ভাংচুর!
মোঃখলিলুর রহমান খলিলঃব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলা কাইতলা দক্ষিণ ইউনিয়নে গতকাল শনিবার দূপুর দুইটায় বাদ জোহর তারাবি নামাজের হুজুর নিয়োগকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়।হাতহাতির এক পর্যায়ে স্থানীয় লোকজন দুই পক্ষকে ঝগড়া থামিয়ে দিয়ে পরবর্তীতে মিমাংসা করার কথা বলে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ঘটনার সামনে থাকা সৈয়দ ফরিদ আহাম্মদ বলেন,”আমরা তারাবির ইমাম নিয়োগের জন্য মসজিদে বসি তখন হুট করে ওলামা দলের যুগ্নআহবায়ক ও কাইতলা দক্ষিণ ইউনিয়ন বিএনপি সহ সভাপতি সৈয়দ আমিনুল ও সৈয়দ নাজমুল এসে হুজুরদের ও উপস্হিত থাকা সকলকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে মসজিদ থেকে বেড়িয়ে যেতে বলার এক পর্যায়ে হাতাহাতি হয় পরে আমরা ফিরিয়ে দেয়”।পরে শনিবার রাতে সৈয়দ আজিজুল ইসলাম খান ঢাকা থেকে এসে তার সহযোগীদের নিয়ে সাংবাদিক আবদুল হাদীর বাড়িতে হামলা চালিয়ে টিনের বেড়াতে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হাদীকে হত্যার হুমকি দিয়ে আসে।নবীনগর নিউ মডেল প্রেস ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক ভোরের চেতনার নবীনগর উপজেলা প্রতিনিধি আবদুল হাদী নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী আরো একজন সৈয়দ আলমগীর জানান,বিএনপির সহ সভাপতি ও নবীনগর উপজেলা ওলামা দলের যুগ্ন আহবায়ক সৈয়দ আমিনুল ইসলাম স্বপন ৫ ই আগষ্টের পরে বিএনপি নাম ভাংগিয়ে অনেক ক্ষমতা দেখিয়ে যাচ্ছে কথায় কথায় হুমকি দামকি দিচ্ছে সাধারণত জনগনকে। এই ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে গতকাল মসজিদে এসে হুজুদের বেড়িয়ে যেতে বলে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাতাহাতি হওয়ার পর আমরা দুই পক্ষেকে ফিরিয়ে দেই পরে রাতে বিকট শব্দ শুনে গড় থেকে বেড়িয়ে এসে দেখি সাংবাদিক আবদুল হাদি বাড়িতে হামলা চালায় রানদা ও হকিস্টিক দিয়ে টিনের বেড়া ভাংচুর করেন।
দুই পক্ষ পুলিশকে ঘটনা অবহিত করেন,প্রশাসন সকলকে আইন হাতে না নেওয়ার অনুরোধ করেন।এখন পর্যন্ত কোন মামলা হয়নি মামলা হয়নি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আমিনুল ইসলাম বলেন আমার উপর হামলা হয়েছে, হামলার কোন তথ্য প্রমান আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি পরে কথা বলবেন বলে ফোন কেটে দেন।