
একটি জনপদের বদলে যাওয়ার গল্গ ও উন্নয়নের রূপকার চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন -লেখক শাহ মোঃ মাহাবুব মোর্শেদ *** এলাকার টেকসই উন্নয়নের প্রথম এবং প্রধান শর্ত হলো শান্তিশৃঙ্খলা। যে জনপদে প্রতিনিয়ত সংঘাত, দাঙ্গা আর মামলার ভয় লেগে থাকে, সেখানে অর্থনৈতিক বা সামাজিক উন্নয়ন থমকে দাঁড়াতে বাধ্য।
নবীনগর উপজেলার বীরগাঁও ইউনিয়ন ঠিক তেমনই এক অস্থির সময় পার করেতে হবে মনে ভীষণ ভয় ছিল। পূর্ববর্তী পার্শ্ববর্তী এলাকা সময় বলতেই চোখের সামনে ভেসে উঠত দাঙ্গা-হাঙ্গামা, থানা-পুলিশ আর মামলার এক ভীতিকর পরিবেশ। সাধারণ মানুষ শান্তিতে ঘুমাতে পারবে নাকি রাজনীতির নামে চলবে কোন্দল।
কিন্তু সময়ের আবর্তনে বীরগাঁওবাসী একজন যোগ্য অভিভাবক খুঁজে পেয়েছে।
বর্তমান চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন
দায়িত্ব নেওয়ার পর বীরগাঁও ইউনিয়নের চিত্র সম্পূর্ণ বদলে ফেলার চেষ্টায়।
যে খানে দিন-রাত অশান্তির আগুনে জ্বলার ভয়ে দিন কেটেছে ,
আজ সেখানে বিরাজ করছে পরম শান্তি।
আজ দাঙ্গামুক্ত শান্ত বীরগাঁও!
শপথ নেওয়ার পর সবচেয়ে বড় যে কাজটি করেছেন, তা হলো বীরগাঁওকে দাঙ্গা ও মামলা-হামলার সংস্কৃতি থেকে চিরতরে মুক্ত রাখা।
রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর থানার বারান্দায় চক্কর কাটার দিন বদলে ফেলা।
তিনি নিজের মেধা, ধৈর্য এবং দৃঢ় নেতৃত্ব দিয়ে এলাকার দীর্ঘদিনের সামাজিক বিরোধগুলো মীমাংসা করেছেন। সাধারণ মানুষকে আইনি জটিলতা ও দাঙ্গার অভিশাপ থেকে বাঁচিয়ে একটি সুশৃঙ্খল পরিবেশ উপহার দিয়েছেন।
আজ বীরগাঁওয়ের মানুষ নির্ভয়ে, শান্তিতে বসবাস করছে।
দৃশ্যমান উন্নয়ন ও রাস্তাঘাটের আমূল পরিবর্তন
শান্তি প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি বীরগাঁওয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়নে
আনোয়ার হোসেনের অবদান আজ দৃশ্যমান। বিগত দিনে অবহেলিত থাকা গ্রামীণ রাস্তাঘাটের ব্যাপক সংস্কার ও পাকাযোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছেন তিনি।
কাঁচা রাস্তাগুলো এখন পিচঢালা বা সলিংয়ের রূপ নিয়েছে!
যা সাধারণ মানুষের যাতায়াত এবং কৃষিপণ্য পরিবহনে এক অভাবনীয় বিপ্লব এনেছে।
ভাঙাচোরা কালভার্ট-ব্রিজ সংস্কারের মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থাকে করেছেন আধুনিক ও সহজলভ্য।মানুষ বাঁচে কর্মে এই কর্ম গুনে আনোয়ার চেয়ারম্যান বীরগাঁও ইউনিয়নবাসীর হৃদয়ে থেকে যাবে, ইতিহাসের পাতায় উন্নয়নের লেখায় থেকে যাবেন আজীবন।