জনপ্রিয়তার শীর্ষে বীরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন
মোঃখলিলুর রহমান খলিলঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগর উপজেলার বীরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন রাস্থাঘাট,মসজিদ মাদ্রাসা উন্নয়নের পাশাপাশি তার এলাকার লোকজনের জীবন যাত্রার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।তিনি ২০২১ সালের নভেম্বরে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে নানাবিধ পরিকল্পনার মাধ্যমে তার এলাকার উন্নয়ন করে যাচ্ছেন। তিনি বীরগাঁও ইউনিয়নকে যোগাযোগ ব্যবস্থায় উন্নয়ন করে যার ফলশ্রুতিতে এলাকার প্রতিটি গ্রামের লোকজন এখন গাড়ী যোগে চলাচল করতে পারেন। এলাকায় সরকারি বরাদ্দের পাশাপাশি নিজ অর্থায়নেও রাস্তাঘাটের উন্নয়ন করে তিনি জনগণের নিকট তুমুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন।
সাম্প্রতিক সময়ে তাঁর জনপ্রিয়তায় ঈর্ষানিত হয়ে একটি কুচক্রী মহল তার নামে মিথ্যা তথ্য উপাত্ত উপস্থাপন করছেন বলে আনোয়ার হোসেন অভিযোগ করেন।আনোয়ার হোসেনের নির্বাচনী এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ইতিমধ্যে কিশোরপুর হতে বীরগাঁও মালিক ভরসা মাজার শরিফ পর্যন্ত রাস্তা পূর্ণ নির্মান ও পিচ ঢালায় হয়েছে, বীরগাও ইউনিয়ন সদর বাজার থেকে হরিপুর, কেদর খলায় রাস্তা হয়েছে, বিভিন্ন স্কুলের উন্নয়ন হয়েছে।
ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন ডিজিএফ বরাদ্দ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভাবে বন্টন করা হয়েছে।
বীরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের সচিব গোলাম মোস্তফা বলেন প্রথমে উপজেলা পরিষদ ১৭৫০ জনের জন্য ডিজিএফের তালিকা চেয়েছিলেন পরে মাত্র ২০৮ টি কার্ড বরাদ্দ আসে,আমি মহিলা মেম্বারদের অবগত করি ওনারা ৫টি করে কার্ড নিবেন না বলেছেন,আর হরিপুরের হুমায়ুন মেম্বার কল ধরেন নাই, ২০৮টি কার্ড ট্রেক অফিসারের উপস্থিতিতে বিলি করা হয়েছে।
প্যানেল চেয়ারম্যান সেলিম মিয়া বলেন,আমি ৪ নং ওয়ার্ড কেদরখলার মেম্বার, " আনোয়ার চেয়ার আমার এলাকায় রাস্তা করেছেন যা পূর্বে ছিলো না,ওনি ডিজিএফ এর কার্ড বিলি করেছেন।
বীরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বলেন, সেলিম খান বলেন,আনোয়ার চেয়ারম্যান সুষ্ঠুভাবে ডিজিএফ কার্ড বিলি করেছেন
সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন বলেন,চেয়ারম্যান সাহেব চার বছর ধরে পরিষদ চালাচ্ছেন কোন অভিযোগ ওনার নামে নেই,ডিজিএফ কার্ডের অভিযোগ সত্যি নই।
সুবিধা ভোগী জনগণ বলেন আমরা কার্ড পেয়েছি।