ইব্রাহিমপুর ইউনিয়নের শিক্ষা ও অবকাঠামো উন্নয়নে ভূমিকা রাখবো -মির্জা সালাউদ্দিন সবুজ
মোঃ খলিলুর রহমান খলিলঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ইব্রাহিমপুর ইউনিয়নটি একটি ঐতিহ্যবাহী ইউনিয়ন । এই ইউনিয়নে অসংখ্য জ্ঞানীগুনি, পীর- আউলিয়া গাউস কুতুব এর জন্ম হয়েছে। এই ইউনিয়নটি নবীনগর উপজেলা সদর থেকে মাত্র ছয় কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত। এই ইউনিয়নটি এজন্য প্রশাসনের নিকটও গুরুত্বপূর্ণ। তবে এই ইউনিয়নের সড়ক যোগাযোগে ছিলো বিচ্ছিন্ন। গত দশক থেকে শুরু করে অনেক গ্রামের সাথে সড়ক যোগাযোগ থাকলেও কালিপুরা ও শালকান্দি( কাজিবাবাদ)থেকে সরাসরি গাড়ী চলাচলের রাস্তা নেই।
ইব্রাহিমপুর ইউনিয়নে মোট ৫টি গ্রাম জাফরপুর, বাছিতপুর( ডগাইচ্ছা), ইব্রাহিমপুর, কালিপুরা, শাল কান্দি ( কাজিবাবাদ)।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার ইব্রাহিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের মোট লোকসংখ্যা প্রায় ১১,৪৮২ জন (পুরুষ ৫,৭৩০ জন এবং মহিলা ৫,৭৫২ জন)। এটি ৫টি গ্রাম নিয়ে গঠিত এবং এখানকার সাক্ষরতার হার ৪৭.৩৪%।
এই ইউনিয়নের সবচেয়ে বড়ো চ্যালেঞ্জ কালিপুরা ও সালকান্দি গ্রামের সড়ক যোগাযোগের ব্যবস্থা করা এই চ্যালেঞ্জ প্রতিশ্রুতি নিয়ে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, শিক্ষানুরাগী ও সমাজ সেবক মির্জা সালাউদ্দিন সবুজ।
তিনি ইব্রাহিমপুর ইউনিয়নের জাফরপুর গ্রামের মির্জা বাড়ীর কৃতিসন্তান। তিনি ইব্রাহিমপুর বহমূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের আজীবন দাতা সদস্য।
মির্জা সালাউদ্দিন সবুজ দুই দশক ধরে ইব্রাহিমপুর ইউনিয়নে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ মাদ্রাসার উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। অসহায় মানুষের বন্ধু হয়ে পাশে থাকেন।
তার নিজ গ্রামের রাস্তাঘাটের উন্নয়নে তিনি সর্বদা নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
জাফরপুর ও ইব্রাহিমপুরের জনগণের নিকট কথা বলে জানা যায় সালাউদ্দিন সবুজ একজন সজ্জন, মেধাবী নিরহংকারী ও পরিচ্ছন্ন ব্যক্তি। তাকে নির্বাচিত করলে এলাকার অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি এলাকার লোকজন নিরাপত্তা পাবেন।
মির্জা সালাউদ্দিন সবুজ বলেন, আমি নিজ অর্থায়নে যতটুকু সম্ভব ক্ষুদ্র পরিসরে করি তবে এলাকার বৃহৎ উন্নয়নের জন্য জনপ্রতিনিধি হলে সহজ হয় এজন্য প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছে পোষণ করছি।
আমি নির্বাচিত হলে ইব্রাহিমপুর ইউনিয়নের শিক্ষা ও অবকাঠামো উন্নয়নে ভূমিকা রাখবো ইনশাআল্লাহ।