অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে উৎপাদন যেন নিয়ম হয়ে গেছে পতিত সরকারের ঘনিষ্ঠজন হারুনের ফুড ল্যান্ড বেকারির।
স্টাফ রিপোর্টারঃ
নারায়নগঞ্জের আলোচিত- সমালোচিত উসমান পরিবারের ঘনিষ্ঠজন হারুনুর রশিদের ফুড ল্যান্ড বেকারির পন্য উৎপাদন হয় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ।
তথ্যসূত্রে জানা যায়,শুরু দিকে এতটা জমজমাট না থাকলেও পতিত আওয়ামী লীগের ক্ষমতাধর নারায়ণগঞ্জের উসমান পরিবারের সংস্পর্শে এসে ফতুল্লা থানার সাইনবোর্ড এলাকায় গড়ে তুলে ফুড ল্যান্ড বেকারি। সেই থেকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে।বিভিন্ন সময়ে এই ক্ষমতার অপব্যবহার করে নারায়ণগঞ্জ জেলাখানায় পঁচাবাসী আর মেয়াদোত্তীর্ন খাবার বিক্রি করে নারায়ণগঞ্জ, রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় ১৪ টি শোরুম সহ অঢেল সম্পদের মালিক হয়ে যায়। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে নিম্নমানের মেয়াদোত্তীর্ন খাবার তৈরি জন্য ২০১৯ সালের ২৮ আগষ্ট দই পণ্যের মোড়কে পণ্যের নাম, ওজন, মূল্য, উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ উল্লেখ না থাকায় এবং ডিজিটাল স্কেলের ভেরিফিকেশন সনদ না থাকায় ‘ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন-২০১৮’ অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে এ মামলা হয়। এমনকি ২০২০ সালের ১৬ এপ্রিল করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে ব্যবস্থা না নেওয়ায় এবং নিয়ম ও আইন লঙ্ঘনের দায়ে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে অপরাধ স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে জরিমানা করা হয়েছে ফুডল্যান্ড বেকারি কে।এছাড়া ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
কারখানায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও তেলাপোকা পাওয়ায় বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইসরাত সিদ্দিক ও নারায়ণগঞ্জ জেলার নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা সুরাইয়া সাইদুন নাহারের নেতৃত্বে এই মোবাইল কোর্ট।
ফুড ল্যান্ড বেকারি কেক,মিষ্টি,বিস্কুট, চানাচুর,রুটির মান এতটাই বাজে যে একাধিক ভোক্তা বক্তব্য নিলে তা স্পষ্ট হয়ে উঠে।
এবিষয়ে সাইনবোর্ড এলাকার ভাড়াটিয়া হারুন ও আল আমিন জানায়, একটা মিষ্টি খেয়ে ছিলাম মনে হয় অনেক দিন আগের এবং গুনগত মান একদম বাজে। বেকারির পাশে পুরাতন জুটের ধূলাবালি আর ময়লা পানির গন্ধ। কিভাবে শ্রমিকেরা এগুলো নিয়ে উৎপাদন করে ভোক্তা অধিকারের ও পরিবেশ অধিদপ্তরের উচিত খতিয়ে দেখা।শুনছি জায়গাও।নাকি আরেকজনের দখল করে আছে।
এসকল বিষয়ে জিজ্ঞাসা করতে ফুড ল্যান্ড বেকারি কারখানায় গিয়ে শ্রমিকদের পেলেও হারুনুর রশিদকে পাওয়া যায়নি এমনকি বারবার তার ফোন নাম্বারে চাইলে তার নাম্বারও দেয়নি, উল্টো ফুডল্যান্ডের হট লাইন নাম্বার দিয়ে দেয় মালামাল অর্ডার করতে।