শিরোনাম :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার আকস্মিক মৃত্যু ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হলেন মোঃ ময়নাল হোসেন চৌধুরী ও মোঃ ইব্রাহিম খলিল সাংবাদি শাওনের পিতার মৃত্যুতে রূপসা উপজেলা প্রেসক্লাবের শোক প্রকাশ হাজারীখিল দেওয়ানজীপাড়ায় শ্রী শ্রী বিশ্বশান্তি কামনায় ১৮তম সর্বজনীন মহতী চণ্ডীপাঠ, ধর্মসভা ও গীতাযজ্ঞ অনুষ্ঠিত নোয়াখালীতে ডাকাতির সময় গণধর্ষণ, গ্রেপ্তার ১ অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে উৎপাদন যেন নিয়ম হয়ে গেছে পতিত সরকারের ঘনিষ্ঠজন হারুনের ফুড ল্যান্ড বেকারির। কোম্পানীগঞ্জে বসুরহাট দারুননাজাত মাদ্রাসা দখলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন সয়েল টেস্ট করতে গিয়ে খাল পাড় থেকে বের হচ্ছে গ্যাস ল্যান্স কর্পোরাল আবুল কালাম আর নেই। রাউজানে তপোবন আশ্রমের উদ্যোগে শ্রী শ্রী গীতাহোমযজ্ঞের ৩৩তম উদযাপন অনুষ্ঠিত
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:৩৬ পূর্বাহ্ন

ভোটার স্বাক্ষর জটিলতায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৩ স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল

প্রতিনিধির নাম / ৩৫ বার
আপডেট : মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২৬

51
  1. ভোটার স্বাক্ষর জটিলতায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৩ স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল
    স্টাফ রিপোর্টস মো রোমন হায়দার (বাঞ্ছারামপুর)

ব্রাহ্মণবাড়িয়া | ৩ জানুয়ারি, ২০২৬
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ছয়টি সংসদীয় আসনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। দুই দিনব্যাপী এ যাচাই-বাছাই শেষে জেলার বিভিন্ন আসনে মোট ১৩ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়। বাতিলের প্রধান কারণ হিসেবে উঠে এসেছে ভোটারদের স্বাক্ষর ও তথ্যগত জটিলতা।
জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে শনিবার (৩ জানুয়ারি) বিকেলে দ্বিতীয় দিনের যাচাই-বাছাই শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ তথ্য জানানো হয়। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট সংসদীয় আসনের প্রার্থীদের দাখিলকৃত নথিপত্র যাচাই করা হয়।
দ্বিতীয় দিনে মূলত ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া), ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনের মোট ৩৬ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র পরীক্ষা করা হয়। যাচাই শেষে এসব আসনে ৭ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বাতিল হওয়া প্রার্থীদের ক্ষেত্রে নির্বাচন বিধিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষরের তালিকায় অসঙ্গতি পাওয়া গেছে। অনেক ক্ষেত্রে ভোটারদের নাম, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ও ঠিকানার সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের ডাটাবেজের মিল পাওয়া যায়নি। এছাড়া কয়েকজন প্রার্থীর বিরুদ্ধে ঋণখেলাপি সংক্রান্ত জটিলতাও ধরা পড়ে।
এর আগে শুক্রবার (২ জানুয়ারি) প্রথম দিনের যাচাই-বাছাইয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১, ২ ও ৩ আসনে ৬ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছিল। সব মিলিয়ে দুই দিনে জেলায় মোট ১৩ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন অবৈধ ঘোষিত হলো।
তবে স্বস্তির খবর হলো—আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টিসহ প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মনোনীত প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র প্রায় সবাই বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল–আশুগঞ্জ) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়।
এ বিষয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা শারমিন আক্তার জাহান সাংবাদিকদের জানান,
“যাদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে বাতিল হয়েছে, তারা চাইলে আগামী ৫ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন। আপিল শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে।”
মনোনয়ন বৈধ ঘোষণার খবরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও আশপাশের এলাকায় প্রার্থীদের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যায়। যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

Facebook Comments Box


এ জাতীয় আরো সংবাদ