কলেজ ও হসপিটাল নির্মাণের মাধ্যমে অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি মানবিক নবীনগর গড়বো -_নজু
মোঃখলিলুর রহমান খলিলঃআসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনে গণঅধিকার পরিষদ মনোনীত প্রার্থী ও বিশিষ্ট সমাজসেবক নজরুল ইসলাম নজু নবীনগরের যুবকদের স্বাবলম্বিতার শক্তি দিয়ে উপজেলা বদলে দেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন।
রবিবার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে নবীনগর প্রেসক্লাবে আয়োজিত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন,নবীনগরের যুবকদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করেই আমি একটি আধুনিক, উন্নত ও বেকারত্বমুক্ত উপজেলা গড়ে তুলবো। মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজিমুক্ত পরিবেশে যুবসমাজকে স্বাবলম্বী করার জন্য প্রতিটি উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।কলেজ ও হসপিটাল নির্মাণের মাধ্যমে অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি মানবিক নবীনগর গড়বো ।
রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে সাংবাদিক সমাজের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন,আপনাদের সম্মান ও সহযোগিতা নিশ্চিত করা আমার সমষ্টিগত দায়িত্ব।
সৌদি আরবে নিজের ব্যবসায়িক অর্জনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে নজরুল ইসলাম বলেন, “সেখানে আমি দুই হাজার মানুষের কর্মসংস্থান করেছি। নবীনগর আমার জন্মভূমি—এখানেও কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগ গ্রহণ করবো, ইনশাআল্লাহ।”
তিনি আরো বলেন, “আমরা চাই নবীনগর এমন উচ্চতায় পৌঁছাক—যাকে দেখে সারা দেশের জনপ্রতিনিধিরা অনুপ্রাণিত হবে। আল্লাহর রহমত ও নবীনগরবাসীর দোয়া পেলে, কোনো মাধ্যম ছাড়াই সাধারণ মানুষের ঘরে ঘরে সরাসরি সেবা পৌঁছে দেবো।”
এসময় প্রেসক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ হোসেন শান্তির সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন গণধিকার পরিষদের,সিনিয়র সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাইয়ুম, সাংগঠনিক সম্পাদক গণ অধিকার পরিষদ,সাদেক আহমেদ (আকাশ),পৌর শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এম এ কাশেম নিরব, যুব অধিকার পরিষদ সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাসেল, কামরুল হাসান( ইকরাম) সহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়া সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, সভার আগে নজু পৌর এলাকার মাঝিকাড়া থেকে শতশত নেতাকর্মীসহ ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে বাজারের বিভিন্ন এলাকায় শোডাউন ও কৌশল বিনিময় করেন। শেষ পর্যায়ে তিনি আসন্ন নির্বাচনে গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন।
উল্লেখ্য, নজু অতীতেও নবীনগরের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সড়ক সংস্কারসহ অসংখ্য সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যক্তিগতভাবে সহযোগিতা করেছেন। তিনি অসহায় ও দুস্থদের পাশে দাঁড়িয়েছেন, শিশু ও যুবকদের শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি করেছেন, স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমে অবদান রেখেছেন এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অর্থনৈতিক ও নৈতিক সহায়তা প্রদান করেছেন।