নবীনগর উপজেলাবাসীর সেবা করতে চাই – মেজর জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত কামরুজ্জামান
মোঃখলিলুর রহমান খলিলঃব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় যুগে যুগে অসংখ্য জ্ঞানী গুনির জন্ম হয়েছে। অসংখ্য জ্ঞানীর পূণ্যভূমি নবীনগরে জন্ম নিয়েছেন সুরসম্রাট উস্তাত আলাউদ্দিন খাঁ, সাধক মনমোহন দত্ত, আলী জাকের, ড. আকবর আলী খান সহ অসংখ্য আলেম,কবি সাহিত্যিক।
সম সাময়িক সময়েও রয়েছে অনেক কৃতিসন্তান। মেজর জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত তাদের মধ্যে অন্যতম।
শিক্ষাজীবন থেকে শুরু করে কর্মজীবনে তিনি পেশাগত দায়িত্ব পালন করেছেন দক্ষতার সাথে পাশাপাশি অসংখ্য পুরষ্কারেও ভূষিত হয়েছেন।চাকুরী জীবনে এলাকার মানুষজনদের সার্ভিস লাইফে সহযোগিতা করেছেন। সার্ভিস লাইফে ব্যাপক পরিসরে হয়তো জনসেবা করা সম্ভব না।
ওনি মেজর জেনারেল পদ থেকে অবসরে যাওয়ার পর থেকে তার জন্মভূমি নবীনগর উপজেলার জনগণের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে চলছেন। নবীনগর উপজেলার সার্বিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখার বিষয়েও কথা বলছেন।নবীনগরের অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষা সংস্কৃতি উন্নয়নে কিভাবে ভূমিকা রাখতে হবে সে বিষয়েও পরিকল্পনা বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করছেন।
মেজর জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত কামরুজ্জামান নবীনগরে বিএনপির মনোনয়নে নির্বাচন করবেন বলে জনশ্রুতি রয়েছে।তিনি বিএনপির হয়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির হয়ে নির্বাচন করার ঘোষণা দেওয়ার পর থেকে নবীনগরে শুরু হয়েছে নতুন হিসাব নিকাশ।প্রফেসর মেজর জেনারেল (অব.)মো.কামরুজ্জামানের জন্ম ১৪ জুলাই ১৯৬৩ সালে আলমনগর গ্রামে। তাঁর পিতার নাম মরহুম মো. নুরুজ্জামান – বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক কৃষি কর্মকর্তা
মাতার নাম ফরিদা বেগম – রত্নগর্ভা মা (২০০৪)।
ডা. আমজাদ হোসেন এর ভাতিজা ও মুন্সী নজিবুর রহমানের নাতি।
শিক্ষাজীবনঃ
পি এইচ ডি (ফেলো) – বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ প্রফেশনালস (বিইউপি)
পোস্ট-মাস্টার্স ডিপ্লোমা – রাজনৈতিক অর্থনীতি, ইউনিভার্সিটি অফ দ্য স্ট্যাট অফ নিউ ইয়র্ক (২০০৫)
এমডিএস – জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৯৭)
এম-বি-এ– ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৯৩)
বি-এস-সি (স্বর্ণপদক) – চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
সোর্ড অফ -অনার – বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি (১৯৮৩)
ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ – এস-এস-সি (১৯৭৯), এইচ-এস-সি (১৯৮১), বোর্ডে ডবল স্ট্যান্ড করেছিলেন।
নবীনগর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন কৃতি শিক্ষার্থী।
পেশাগত দায়িত্বঃ
সেনাবাহিনীতে যোগদান: ৮ম বিএমএ লং কোর্স (১৯৮১–৮৩)
সোর্ড অফ অনার ও একাডেমিক গোল্ড মেডেল অর্জন করেছিলেন
গুরুত্বপূর্ণ সামরিক প্রশিক্ষণ ও মিশন
চীনে অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইল প্রশিক্ষণ (১৯৮৮) – প্রথম স্থান ও সেরা শ্যুটার পুরস্কার।
জাতিসংঘ মিশনে অংশগ্রহণ – জাতিসংঘের সাবেক সেক্রেটারি জেনারেল কফি আনানের সঙ্গে
দীর্ঘ ৪ বছর কাজ করেছেন।
২০১১ – ইউ-এন হেডকোয়ার্টার, নিউইয়র্কে প্রতিরক্ষা দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন।
২০১০ সালে তৎকালীন সেনাপ্রধানের সঙ্গে সফর ও দ্বিপাক্ষিক প্রশিক্ষণ সমন্বয় করেছেন।
২০০৯ –, ইউ এন ইউনিভার্সিটি টোকিওতে মিশন লিডারশিপ প্রশিক্ষণ
কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টে জি-ও-সি,, ও এরিয়া কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
শিক্ষা ও একাডেমিক অবদান
২০০০ – এম-আই- এস-টি-এ বিজনেস স্টাডিজ বিভাগ প্রতিষ্ঠা
বি-ইউ-পি-এ বিজনেস ফ্যাকাল্টিতে নেতৃত্ব প্রদান
শিক্ষকতা: স্টেট ইউনিভার্সিটি, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি
রত্নগর্ভা ফরিদা জামান স্কুল অ্যান্ড কলেজ – শিক্ষার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন।
গবেষণা ও প্রকাশনা
প্রকাশিত গবেষণা: ২৫টিরও বেশি
২০১০ – “মিডিয়া ও মিলিটারি ইন্টারফেস” বিষয়ে প্রথম পুরস্কার, আর্মি হেডকোয়ার্টার।
বর্তমান দায়িত্ব
স্বতন্ত্র পরিচালক, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডি-এস-ই)
প্রফেসর, ইউনিভার্সিটি অফ প্রফেশনাল মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট
সভাপতি, বাংলাদেশ ব্যুত্থান-মার্শাল ফেডারেশন, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ।
নেতৃত্ব ও সামাজিক অবদান
সাবেক মহাপরিচালক, এআইবিএ আর্মি আইবিএ (সাভার)
রাওয়া তে ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হয়ে দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।
তিনি নবীনগরে ইতিমধ্যে ঘোষণা দিয়েছেন জনসেবা করতে হলে জনপ্রতিনিধি হতে হবে এমন না,যার যার জায়গা থেকেও জনসেবা করা যায়”।
তবে মেজর জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত কামরুজ্জামান নবীনগরের জনপ্রতিনিধি হলে ব্যাপক উন্নয়ন হবে বলে জনগণ মনে করে।
মেজর জেনারেল অবঃ কামরুজ্জামানঃ
নবীনগর পৌর এলাকার আলমনগরের সন্তান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল কামরুজ্জামানের নামও বিএনপি থেকে ধানের শীষের মনোনয়নের দূরে আলোচনায় রয়েছে। রাজনীতির কেন্দ্রীয় নানা সমীকরণে হাই কমান্ডের সিদ্ধান্তে ধানের শীষের মনোনয়ন মেজর জেনারেল কামরুজ্জামানের কোঠে চলে গেলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। ইতিমধ্যে মেজর জেনারেল কামরুজ্জামান নবীনগরে যোগাযোগ বৃদ্ধি করেছেন তিনি জাতীয় ইস্যুতে বিভিন্ন সভা সেমিনারে বক্তব্য রাখছেন। তিনি ইতিমধ্যে বিভিন্ন দায়িত্ব সফলতার সাথে পালন করছেন। প্রচলন রয়েছে মেজর জেনারেল কামরুজ্জামান বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টে স্যালুট জানানোর অপরাধে কামরুজ্জামান কে বিএনপি’র তকমা দিয়ে চাকরি থেকে তৎকালীন সরকার অব্যাহতি দেন অথচ মেধা যোগ্যতা বলে তিনি সেনাবাহিনীর প্রধান হওয়ার দূরেও এগিয়েছিলেন। সেনাবাহিনীর এই মেজর জেনারেল কামরুজ্জামানের প্রতি যে অবিচার করা হয়েছিল বিএনপি তাকে মনোনয়ন দিয়ে পুরস্কৃত করলেও করতে পারেন। তাছাড়া মেজর জেনারেল কামরুজ্জামনের পরিবারের রয়েছে উজ্জ্বল ইতিহাস ও ঐতিহ্য। মেজর জেনারেল কামরুজ্জামানের চাচা ডাক্তার আমজাদ সাহেবের নবীনগরে সর্ব মহলে রয়েছে তুমুল জনপ্রিয়তা। কামরুজ্জামান এর পরিবার রত্নগর্ভা পরিবার। যার পরিবারের প্রতিটি সদস্য দেশের প্রশাসনের উচ্চপদস্থ পদে কর্মরত রয়েছেন। এই এই মেধাবী সন্তান নবীনগরে এমপি হলে নবীনগর আমূল পরিবর্তন হবে বলে অনেকেই ধারণা করে, এতে করে তফসিল ঘোষণার পর মনোনয়ন পুনরায় বিবেচনার সুযোগ হলে মেজর জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত কামরুজ্জামানের নাম বিএনপি থেকে আসতে পারে। বিভিন্ন জরিপে ও গুঞ্জন রয়েছে তার নাম এগিয়ে থাকতে পারে।