ডাকসু’র ইতিহাস ও ঐতিহ্য
মোঃখলিলুর রহমান খলিল ঃঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯২১ সালে। শিক্ষার্থীদের কল্যানে প্রতিষ্ঠিত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (সংক্ষেপে: ডাকসু হিসেবে পরিচিত) হচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ। এটি ১৯২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ’ নামে প্রতিষ্ঠিত হয়।পরবর্তীতে ১৯৫৩ সালে গঠনতন্ত্র সংশোধনের মাধ্যমে পূর্বনাম পরিবর্তন করে বর্তমান নাম ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ’ গ্রহণ করা হয়। ঢাবি কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদকে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সংসদ বলা হয়।বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক চেতনা ও স্বাধিকার আন্দোলনের অন্যতম সূতিকাগার হল এই ছাত্র সংসদ। প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই বাংলাদেশের সামগ্রিক ইতিহাসে গৌরবময় ভূমিকা রাখে এই ছাত্র সংসদ। ৫২’র ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে পরবর্তীতে ৬২’র শিক্ষা আন্দোলন, ৬৯-এর গণ অভ্যুত্থান, ৭১-এর স্বাধীন বাংলাদেশ নির্মাণের লক্ষ্যে রক্তক্ষয়ী জাতীয় মুক্তি সংগ্রাম এবং পরবর্তীতে স্বাধীন বাংলাদেশে স্বৈরাচার ও সামরিকতন্ত্রের বিপরীতে দাঁড়িয়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনে সাহায্য করেছে ঢাবি কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ।
সর্বপ্রথম ডাকসুর ভিপি ছিলেন ১৯২৩-২৪ শিক্ষা বর্ষে মমতাজ উদ্দিন আহমেদ ও জিএস ছিলেন যোগেন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত।
গঠনতন্ত্র পরিবর্তন হয়ে ১৯৬৮ সাল থেকে শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে প্রতিনিধি নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হয়।এই পর্যন্ত ৩৭ বার ডাকসুর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ডাকসুর নির্বাচনে এ পর্যন্ত ছাত্র ইউনিয়ন থেকে ভিপি পদে ৪ বার ভিপি নির্বাচিত হয়,ছাত্রলীগ থেকে চারবার ভিপি নির্বাচিত হয়, বাসদ ছাত্রলীগ থেকে ১ বার জাসদ ছাত্রলীগ থেকে ২ বার , ছাত্র দল থেকে ১বার ও ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ থেকে নূরুল হক নূরু সর্বশেষ ভিপি নির্বাচিত হন।
ডাকসুর সাবেক ভিপি ও জিএসরা পরবর্তীতে দেশের জাতীয় রাজনীতিতে ভূমিকা রাখেন,তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন তোফায়েল আহমেদ, নাজিম চৌধুরী,আব্দুল কুদ্দুস মাখন সেলিম,মান্না, আমানউল্লাহ আমান,খায়রুল কবির খোকন, অন্যতম।
আজ ডাকসুর নির্বাচন হচ্ছে ৫ বছর পর। আগামী সেশনের জন্য ছাত্ররা তাদের পছন্দের প্রতিনিধি নির্বাচিত করবেন। ,