
মোঃ আরিফ হোসেন নবীনগর পশ্চিম ইউনিয়ন প্রতিনিধিঃ
নবীনগর উপজেলার পশ্চিম ইউনিয়নের চরলাপাং এলাকায় মেঘনা নদীর ভাঙন আজও থামেনি। গত ৫২ বছর ধরে ধীরে ধীরে গিলে খাচ্ছে ঘরবাড়ি, ফসলি জমি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমনকি ধর্মীয় স্থাপনাও। নদীর তীব্র স্রোতে ইতোমধ্যে ভেঙে পড়েছে বেশ কয়েকটি মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল ও কলেজ। এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল স্কুল সেটিও আজ হুমকির মুখে।পাশাপাশি দড়িলাপাং,চিত্রিতেও নদী ভাংগন হয় প্রতিবছর।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রতিদিন আতঙ্কে দিন কাটে। কখন যে কার ঘর মেঘনার বুকে বিলীন হয়ে যায়, কেউ জানে না। সরকারের পক্ষ থেকে বেশ কয়েকবার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও কার্যকর কোন উদ্যোগ এখনো চোখে পড়েনি।
চরলাপাং এলাকাবাসীবলেন,
> "আমার বাপ-দাদার ভিটা ছিল এইখানে। নদী সব নিয়া গেছে। এখন ভয়ে রাতে ঘুমাইতে পারি না।"
শিক্ষার্থীদের মুখেও হতাশা—
> “স্কুলটা ছিল নদীর পাশে। কয়েকদিন আগেই নদী নিয়ে গেল। পড়ালেখার ভবিষ্যত অন্ধকার মনে হচ্ছে।” — বলছে ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র আরিফা।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা বলছেন, বারবার সংশ্লিষ্ট দফতরে জানানো হয়েছে, জরুরি ভিত্তিতে নদী শাসনের কাজ শুরু না হলে চরলাপাং পুরোপুরি বিলীন হয়ে যাবে।
অবিলম্বে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে শুধু চরলাপাং নয়, গোটা পশ্চিম ইউনিয়নের অস্তিত্বই পড়ে যাবে হুমকিতে।
📢 মানবিক আবেদন
চরলাপাং রক্ষায় সরকারের হস্তক্ষেপ জরুরি। স্থানীয়দের জীবন, শিক্ষা ও বিশ্বাস রক্ষা করতে এখনই প্রয়োজন নদী শাসনের কার্যকর পদক্ষেপ।
[ নবীনগর মেঘনা টিভি ]
সত্যের পক্ষে সারাক্ষণ।