শিরোনাম :
নবীনগর বাবার শখ পূরণ করতে হেলিকপ্টারে করে বিয়ে করলেন ছেলে! সাইনবোর্ড মোড়ের জয়নাল মার্কেটে সন্ত্রাসী কায়দায় হামলা চালিয়ে একাধিক বার লুটপাটের অভিযোগ । বড়াইল ইউনিয়নে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা নবীনগর পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড আলমনগরে কাজী নাজমুল হোসেন তাপসের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত নবীনগর পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড আলমনগরে কাজী নাজমুল হোসেন তাপসের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত নবীনগর পশ্চিম ইউনিয়নে ধানের শীষের প্রার্থী এম এ মান্নানের পক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ছাত্রীকে নিয়ে পালালো প্রধান শিক্ষক,মাদরাসায় অগ্নিসংযোগ মতইনে মিথ্যা চুরির মামলা নিয়ে তোলপাড়-জালালীর অপপ্রচারের বিরুদ্ধে মানববন্ধন গোলাপজল প্রসাধনী ও খাবার হিসেবে কতটুকু উপকারী বা ক্ষতিকর! ১২ ফেব্রুয়ারিই হবে পাবনা ১ ও ২ আসনের সংসদ নির্বাচন
সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:৩৮ অপরাহ্ন

বাবার মৃত্যুর আধাঘন্টা পর মেয়ের আত্মহত্যা

প্রতিনিধির নাম / ৭৩৫ বার
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৬ জুন, ২০২৪

47

বাবার মৃত্যুর আধাঘন্টা পর মেয়ের আত্মহত্যা

মোহাম্মদ আবু নাছের, ব্যুরো চীফ নোয়াখালী :

নোয়াখালীর সদর উপজেলায় বাবার রহস্যজনক মৃত্যুর আধাঘন্টা পর গলায় ফাঁস দিয়ে এক মেয়ে আত্মহত্যা করেছে।

বৃহস্পতিবার (৬ জুন) দুপুরের দিকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ময়না তদন্ত শেষে মরদেহ দুটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এর আগে, গতকাল বুধবার ৫জুন সকালে সাড়ে ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে নোয়াখালীর পৌরসভার ২নম্বর ওয়ার্ডের উকিল পাড়ার নরেশ চন্দ্র দে এর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, নোয়াখালীর পৌরসভার ২নম্বর ওয়ার্ডের উকিল পাড়ার নরেশ চন্দ্র দে (৫০) ও তার মেয়ে তিশা দে (১৯)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত নরেশ চন্দ্রের মেয়ে তিশা ফেনীর একটি কলেজে পড়ত। পড়ালেখা অবস্থায় সেখানে একটি মুসলিম ছেলেকে ধর্মান্তরিত করে বিয়ে করে। বিষয়টি তার বাবা জানতে পেরে তাকে ফেনী থেকে নোয়াখালীর জেলা শহর মাইজদীর নিজ বাড়িতে নিয়ে আসে। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে এ নিয়ে মেয়েকে বুঝানোর অনেক চেষ্টা করেন বাবা। সে যেন তার স্বামীর সাথে সকল সম্পর্ক ছিন্ন করে। কিন্তু মেয়ে তার স্বামীর পক্ষে অনড় ছিল।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে নিহতের ছোট ছেলে স্কুলে যাওয়ার সময় বাবার কাছে টাকার জন্য গেলে দেখে তার বাবার নিথর দেহ তার কক্ষে পড়ে আছে। আশে পাশে রক্ত। ডায়ালাইসিসের ফিস্টুলার স্থান থেকে রক্ত বের হচ্ছে। পরে তার চিৎকার শুনে পরিবারের অন্য সদস্যরা এগিয়ে আসে। তিশা বাবার এ অবস্থা দেখে পরিবারের সদস্যদের অগোচরে আলাদা একটা কক্ষ গিয়ে দরজা বন্ধ করে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দেয়। পরে পরিবারের সদস্যরা দরজা ভেঙ্গে তার মরদেহ উদ্ধার করে। খবর পেয়ে দুপুর দেড়টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল সম্পন্ন করে।

সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর জাহেদুল হক রনি বলেন, নরেশ কিডনি রোগী ছিলেন। তিনি বাসায় ডায়ালাইসিস করতেন। তার মেয়ে ফেনী মেডিকেলে পড়ত। সেখানে একজন মুসলিম ছেলেকে ধর্মান্তরিত করে বিয়ে করে। বিষয়টি তিনি ভালোভাবে নেননি। এজন্য মেয়েকে ফেনী থেকে নিয়ে আসেন।

ওসি রনি আরও বলেন, এরপর মেয়েকে সারা রাত বুঝানোর চেষ্টা করেন। মেয়ে নাছোড় বান্দা। এ নিয়ে চিল্লাচিল্লি করে তিনি স্ট্রোক করে মারা যান। পরে মেয়ে দেখল সেতো ঘটনা খারাপ করছে। পরবর্তীতে বাবার মৃত্যুর আধাঘন্টা পর মেয়ে গিয়ে আত্মহত্যা করে। বিকেল ৪টার দিকে দুটি মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট পেলে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।

Facebook Comments Box


এ জাতীয় আরো সংবাদ