
নিজস্ব প্রতিবেদক
নবীনগর সদর বাজার সহ ইউনিয়ন পর্যায়ের বাজারে সব ধরনের পণ্য বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। অসাধু সিন্ডিকেটের কারসাজিতে প্রতি সপ্তাহে কোনো না কোনো পণ্যের দাম বাড়িয়ে ভোক্তাদের ঠকাচ্ছে। সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও পেঁয়াজ ও আদার দাম বাড়িয়ে ভোক্তাদের নাজেহাল করা হচ্ছে। আবার চাল নিয়ে করা হচ্ছে চালবাজি।এ ছাড়া বয়লার মুরগী থেকে শুরু করে সব ধরনের সবজি, মাছ মাংস,চিনিও ভোজ্যতেলের দাম বাড়িয়ে ভোক্তাদের জিম্মি করা হচ্ছে। বছরের পর বছর এ অবস্থান চলতে থাকলেও নবীনগর উপজেলা প্রশাসন কে তেমন কোন ভূমিকা রাখতে দেখা যায়নি। শুধু হাঁকডাকের মধ্যে তাদের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রেখেছে। গরুর মাংস ছয় শত থেকে থেকে বেড়ে ৭৫০ এমনকি আটশত টাকা কেজি হয়েছে। আড়াইশ টাকার আদা ৪৫০ হয়েছে। ১৫০ টাকার মোরগী ২৮০ ও হয়েছে। ৩৫ টাকা কেজির পেঁয়াজ ৭০ থেকে ৮০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে। কোরবানি ঈদের আগে ৩৫০ টাকার আমদানি করা জিরা ১০০০ হাজার টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে। সম্প্রতি ২৫০ টাকায় ক্রয় করা কাচা মরিচ ৮০০ টাকা কেজিতে ও বিক্রি হয়েছিল।
পণ্য মূল্যের তালিকা প্রতিটি বাজারে প্রতিদিন হালনাগাদ করার কথা থাকলেও তা করা হচ্ছে না।কেনা বেচার লিখিত রশিদ থাকার কথা থাকলেও তার হদিস মিলছে না।
তাছাড়া বাজার অসংখ্য নকল পণ্যে সয়লাব বিশেষ করে ঘি,দুধ,ট্যাংক, ওয়াশিং পাউডার, ও বিভিন্ন প্যাকেট জাত পণ্য নকল সরবরাহ হয় নবীনগরের বাজারে। শিশু খাদ্য নকল সরবরাহের কারণে শিশুরা ভোগছে নানান জটিল রোগে।এই অবস্থা চলতে থাকলে শিশুর মৃত্যু ও হতে পারে।
কসমেটিকস এর দোকানে নকল লাক্স,নকল ফেয়ার এন্ড লাভলী, নকল বিভিন্ন সুগন্ধি সরবরাহ করা হচ্ছে
ঔষধের দোকানে মেয়াদহীন ঔষধ, নকল সেকলো,নকল জেলড্রিন, নকল পেশারের বিভিন্ন ঔষধ পাওয়া যায়।যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর ও মানুষের মৃত্যুর কারণও হতে পারে।
নবীনগর সদর বাজার সহ ইউনিয়ন পর্যায়ের বাজারের কিছু সংখ্যক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নিজে অনেকাংশে আত্নীয় স্বজন পণ্য মজুদ কারবারি বা পাইকারি বাজারের সাথে জড়িত আছে এটাও পণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণহীন হওয়ার বড় কারণ।গ্যাসের সিলিন্ডার সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে ছয় টাকা বেশিতে বিক্রি হচ্ছে।
বাজার নিয়ন্ত্রনে উপজেলা নির্বাহী কমিশনার ভূমি মাহমুদা জাহান সময়ে সময়ে অভিযান অব্যাহত রাখলেও অভিযানের দুই তিন দিন পর থেকে সেই সিন্ডিকেট এর দখলে চলে যায় বাজার। ç